বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে সমর্থন দিচ্ছে কিউবা
<![CDATA[
বিশ্বকাপে নিজেদের দেশ না থাকায় ব্রাজিলের রঙে সেজেছে পুরো কিউবা। হাভানার ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমের ‘বাউটা’ এখন সেলেসাওদের শহর বলেই পরিচিত স্থানীয়দের কাছে। কাতার বিশ্বকাপে নেইমারদের সমর্থন দিতে তাদের আয়োজনগুলো নজর কেড়েছে ব্রাজিলিয়ানদেরও। তাই তো সুইসদের হারানোর দিনে শহরবাসীর উৎসবে যোগ দিয়েছিলেন ব্রাজিলের ডিপ্লোমেটরা। একই অবস্থা হাইতির পোর্টপ্রিন্সেও। পুরো শহরের রাস্তাঘাট সেজেছে ব্রাজিলের পতাকা আর জার্সিতে।
কিউবার রাজধানী হাভানা থেকে ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে গেলেই ছোট্ট শহর বাউটা। শান্তিপ্রিয় এই শহরের মানুষের একটাই আক্ষেপ, তাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব নেই গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে। কিন্তু এ বছর তারা খুঁজে নিয়েছে আনন্দের বিকল্প এক পথ। পুরো শহর সেজেছে ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের পতাকা আর রঙে।
রাস্তাঘাট থেকে বাড়ির দেয়াল, যেদিকেই তাকানো যাবে মনে হবে যেন ছোট্ট একটা রিও ডি জেনেরিও।
আরও পড়ুন:নেইমারকে নিয়ে নতুন দুঃসংবাদ
এই শহরের মানুষের ভালোবাসার খবর পৌঁছে গেছে ব্রাজিলেও। তাই তো শহরবাসীদের সঙ্গে উৎসবে যোগ দিতে চলে এসেছেন দেশটির এক ঝাঁক ডিপ্লোমেট। স্থানীয়দের সঙ্গে খেলেছেন ফুটবল, মেতেছেন বিশ্বকাপের আনন্দে।
কিউবায় ব্রাজিলিয়ান অ্যাম্বাসির চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স রবার্তো কলিন বলেন, ‘কিউবা ফুটবল আমাদের দেশের জাতীয় আবেগের অংশ। এই বাউটাতে আমরা যা দেখছি তা অসাধারণ। তারা ব্রাজিলকে ভালোবেসে এখানে ক্লাব খুলেছে, পুরো শহর আমাদের পতাকায় সাজিয়েছে। এটা বিশ্বাস করাও কঠিন, ফুটবল এভাবে দুটো দেশকে এক করেছে। তারা কোন ধর্মের, কোন জাতের এটা কোনো প্রশ্নই হতে পারে না, আমরা সবাই ফুটবলকে ভালোবাসি, এটাই আমাদের পরিচয়।’
আরও পড়ুন:শেষ ষোলোতে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কোন দল?
আমাদের এখানকার সবাই ফুটবলকে খুব ভালোবাসে। তাই নিজেদের দেশকে না পেয়ে আমরা ব্রাজিলকে সমর্থন করছি। আমাদের কাছে মনে হয়েছে, এই দলটাই সেরা। আমরা উৎসব করতে চাই, তাই এমন দল বেছে নিয়েছি, যারা চ্যাম্পিয়ন হবে।
ব্রাজিল সমর্থকদের ছড়াছড়ি পুরো বিশ্বেই। কিউবার মতো হাইতির পোর্টপ্রিন্সও সেজেছে সবুজ-হলুদ রঙে। সেলেসাওদের প্রতিটি খেলা দেখার জন্য নেয়া হয়েছে অভিনব সব আয়োজন। বড় পর্দা বসানো হয়েছে শহরের পাবলিক স্কয়ারে। সেখানেই জার্সি পরে, নেচে-গেয়ে ক্যাসিমিরোদের জয় উদ্যাপন করেন তারা।
]]>




