বিশ্বকাপ শেষে নান্দনিক স্টেডিয়াম হয়ে যাবে কমিউনিটি সেন্টার
<![CDATA[
কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালের ভেন্যু লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়াম। ৮০ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতার এ স্টেডিয়াম বিশ্বকাপ উপলক্ষেই নির্মাণ করা হয়েছে। গত বছরের ২২ নভেম্বর উদ্বোধন করা হয় গোল্ডেন বা সোনার আদলে নির্মিত এই স্টেডিয়াম।
লুসাইল স্টেডিয়ামের অবস্থান কাতারের রাজধানী দোহা থেকে ২২.৭ কিলোমিটার দূরে। কাতারের প্রতিষ্ঠাতা শেখ জসিম বিন মুহাম্মদ বিন আল-থানির পূর্বের বাড়ির কাছে নির্মিত হয়েছে এই স্টেডিয়াম। গাড়ি ও মেট্রোরেল যোগে পৌঁছানো যাবে এই স্টেডিয়ামে।
বিশ্বকাপের ফাইনাল ছাড়াও গ্রুপ পর্ব থেকে বাকি রাউন্ডের মিলিয়ে আরও ৮টি ম্যাচ এই মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।
স্টেডিয়ামটির নকশা তৈরি করেছে বিখ্যাত ব্রিটিশ আর্কিটেকচার ফার্ম ফোস্টার + পার্টনার্স গ্রুপ লিমিটেড। সঙ্গে ছিল যুক্তরাষ্ট্রের পপুলাস। এছাড়াও সহযোগিতায় ছিল এএফএল আর্কিটেক ও ম্যানিকা আর্কিটেক। ১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া ফোস্টার + পার্টনার্সের কয়েকটি বিশ্বনন্দিত ডিজাইন হলো লন্ডন সিটি হল, রানী এলিজাবিথ গ্রেট কোর্ট, ব্লুমবার্গ লন্ডন ও অ্যাপল ফিফথ এভিনিউ। স্টেডিয়ামটি নির্মাণে ব্যয় করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ অর্থ।
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপ খেলে কত টাকা পাবে দেশগুলো?
আরব সংস্কৃতির ছোঁয়ায় নির্মাণ করা হয়েছে এই স্টেডিয়াম। এ অঞ্চলের ইসলামি সভ্যতার উত্থানের সময় সমগ্র আরব ও ইসলামী বিশ্ব থেকে পাওয়া বাটি, পাত্র, আসবাবপত্র ও অন্যান্য শিল্পকর্মের আলংকারিক নকশার কারণে নজর কাড়বে এই স্টেডিয়াম। এছাড়া নকশায় আলো-ছায়ার খেলা মুগ্ধ করবে দর্শক।
স্টেডিয়ামের প্রতিটি প্রান্তেই যেন শিল্পীর তুলির নিখুঁত ছোঁয়া। জলের প্রতিবিম্বাকৃতি আর স্যাডল-ফর্মের ছাদের এই নির্মাণশৈলীকে ওপর থেকে দেখলে মনে হবে ভাসমান মাঠ। চারপাশে থাকছে পানির কৃত্রিম ফোয়ারা। মাঠে প্রবেশের জন্য দর্শকদের পার হতে হবে বিশেষ সেতু। কাতারের গরম আবহাওয়াকে হার মানাতে থাকছে সৌরশক্তি চালিত নিজস্ব কুলিং সিস্টেম। স্টেডিয়ামের ওপর থাকছে বিশেষ ছাদ।
আরও পড়ুন: ৩৬ বছরের আক্ষেপ ঘোচাতে কাতারে পা রাখল আর্জেন্টিনা
বিশ্বকাপের পর অবশ্য এই স্টেডিয়ামটি থাকছে না আর। এটিকে পরিণত করা হবে কমিউনিটি সেন্টারে। যেখানে থাকবে স্কুল, দোকান, ক্যাফে, ক্রীড়া সুবিধা ও স্বাস্থ্যসুবিধার ক্লিনিক। কাতারের টেকসই উন্নতির অঙ্গীকার হিসেবে করা হবে এটি।
একজনের লুসাইল স্টেডিয়াম-
স্বাগতিক শহর: লুসাইল
সর্বোচ্চ দর্শক ধারণ ক্ষমতা: ৮০,০০০
মোট ম্যাচ: ৯টি (গ্রুপ পর্বের ম্যাচ, শেষ-১৬, কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল, ফাইনাল)
]]>




