বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস রোববার
<![CDATA[
জানুয়ারির শেষ রোববার। আজ ২৯ জানুয়ারি, বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস। দিবসটিকে সামনে রেখে বিশেষ সংকল্প গ্রহণ করেছে জাতিসংঘ।
কুষ্ঠরোগ হ্যানসেনের রোগ নামেও পরিচিত। এ রোগে মূলত স্নায়ুর মারাত্মক ক্ষতি ও বিকৃতি হয়। এছাড়াও ত্বকে দেখা দেয় বিশেষ ধরনের ঘা।
কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি ছোঁয়া, ব্যথা এবং তাপমাত্রার প্রতি শরীরের সংবেদনশীলতা হারিয়ে ফেলে। ত্বকে ক্ষত হওয়া, পেশি দুর্বল হয়ে যাওয়া এবং হাত ও পায়ে অসাড়ভাব কুষ্ঠ রোগের লক্ষণ।
চিকিৎসাশাস্ত্রে, এই রোগটি সংক্রামক রোগ। মাইকোব্যাকটেরিয়াম লেপ্রি কুষ্ঠ রোগের ব্যাকটেরিয়া। এই রোগে বিভিন্ন অঙ্গের স্নায়ু, শ্বাসনালীর উপরের অংশ ও নাকের ভেতরের আস্তরণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
যারা কুষ্ঠরোগে আক্রান্ত হয়েছেন তাদের কথা ভেবে ১৯৫৪ সাল থেকে পালন করা শুরু হয় বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস। এছাড়াও রোগটি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো ও রোগীকে ঘিরে সমাজের বৈষম্যের অবসান কমানোর ডাকও দেয় বিশেষ দিনটি। কুষ্ঠরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সম্মান করার জন্য একসঙ্গে কাজ করাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় দিবসটিতে।
আরও পড়ুন: মৃত্যুর কারণ পারফিউম!
২০২৩ সালের বিশ্ব কুষ্ঠ দিবসের এবারের থিম হলো ‘অ্যাক্ট নাও, এন্ড লেপ্রোসি’। অর্থাৎ, কুষ্ঠ রোগ মেটাতে এখনই জরুরি ব্যবস্থা নিতে হবে।
চিকিৎসকরা বলছেন, প্রাথমিক পর্যায়েই রোগটি ধরা পড়লে দ্রুত সারিয়ে তোলা সম্ভব হয়। তবে রোগ গেড়ে বসলে কমে যায় সেরে ওঠার সম্ভাবনা।
ফ্রান্সের একজন জনহিতৈষী ও লেখক রাউল ফোলেরেউ সর্বপ্রথম বিশ্বব্যাপী এই প্রচেষ্টার কথা ভেবেছিলেন। দিনটি পালনের নেপথ্যে লক্ষ্য ছিল, কুষ্ঠ রোগীদের মানসিক এবং শারীরিক আঘাতের কারণ সম্পর্কে মানুষকে জানানো। মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি এবং মনোভাবে বদল আনা।
এই দিবসের আরও উদ্দেশ্য হল কুষ্ঠ রোগীদের মর্যাদার সঙ্গে চিকিৎসার গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষকে শিক্ষিত ও সচেতন করা। সেই সঙ্গে মানসিক অবসাদের মধ্যে থাকে রোগীকে তা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করাও দিবসটির অন্যতম উদ্দেশ্য।
]]>




