বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি-পুলিশের সতর্কতা
<![CDATA[
ঢাকার আদালত থেকে ছিনিয়ে নেয়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জঙ্গি যেন কোনোভাবে ভারতে পালাতে না পারে, সে কারণে বেনাপোল সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), ইমিগ্রেশন ও পোর্টথানা পুলিশের সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রেড অ্যালার্ট জারির নির্দেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সর্তকতা বাড়ায় সরকারের আইন প্রয়োগকারী নিরাপত্তা সংস্থাগুলো।
রোববার (২০ নভেম্বর) দুপুর থেকে বাড়তি এ সতর্কতা নেয়া হয় সীমান্তে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি আবুল কালাম আযাদ জানান, পালিয়ে যাওয়া অপরাধীরা যাতে কোনোভাবে ইমিগ্রেশন অতিক্রম করতে না পারে সে জন্য বাড়তি সতর্কতা নেয়া হয়েছে। ছবির সঙ্গে পাসপোর্টধারীর চেহারা ভালোভাবে মিলিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ভারত ভ্রমণে অনুমতি দেয়া হচ্ছে। এ ছাড়া প্রত্যেক পুলিশ সদস্যকে নিয়ে বৈঠকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি কামাল হোসেন ভূঁইয়া জানান, দুই জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় দেশব্যাপী অ্যালার্ট জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নির্দেশ আসার পর পরই গোটা ইমিগ্রেশন এলাকায় ব্যাপক সতর্কতা নেয়া হয়েছে। সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: জঙ্গি ছিনতাই / হিলি সীমান্তে ‘রেড অ্যালার্ট’
২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভির রহমান জানান, অপরাধীকে ধরতে সরকারের অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থা পাশাপাশি বিজিবিও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এর আগে রোববার দুপুরে দিকে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পুলিশের চোখে স্প্রে করে প্রকাশক দীপন হত্যা মামলার মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় জঙ্গিরা। ছিনিয়ে নেয়া দুই আসামি হলেন মইনুল হাসান শামীম ও আবু সিদ্দিক সোহেল। শামীমের বাড়ি সুনামগঞ্জের ছাতকের মাধবপুর গ্রামে। সোহেলের বাড়ি লালমনিরহাটের আদিতমারীর ভেটোশ্বর গ্রামে।
]]>




