বেপরোয়া বিদেশি জাহাজ কেন্দ্রিক চোরাকারবারি, নেপথ্যে প্রভাবশালীরা
<![CDATA[
বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের বিদেশি জাহাজ কেন্দ্রিক গড়ে ওঠা সংঘবদ্ধ চোরাচালানী চক্র আবারও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। বন্দরের প্রভাবশালী মহলের ইন্ধনে এ চক্রের শক্তিশালী সদস্যরা বন্দরে আগত বিভিন্ন বিদেশি জাহাজ থেকে নদী পথে জ্বালানি তেল, মবিল, ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র অবাধে পাচার ও লুটপাট করে আনছে।
এদিকে এ ঘটনায় শনিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে মোংলার জয়মনির ঘোল মাঝিরঘাট এলাকা থেকে ডিজেলসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় বেশ কয়েকটি ড্রাম ভর্তি ডিজেল ও একটি নৌকা জব্দ করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন- মোংলা পোর্ট পৌরসভার শেহালাবুনিয়ার বটতলার মৃত হায়দার জোমাদ্দারের ছেলে মো. রাসেল জোমাদ্দার (২৭) ও জয় বাংলা সড়কের মো. রব্বান খাঁনের ছেলে মো. ইউনুছ খানঁ (৩২) ।
জানা গেছে, কাস্টমস, পুলিশ, কোস্টগার্ড, বন্দর প্রহরিসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে চোরাকারবারি চক্রের সদস্যরা দিনে রাতে এসব পণ্য পাচার ও লুটপাট করছে। এতে সরকার হারাচ্ছে মোটা অঙ্কের রাজস্ব।
আরও পড়ুন: মোংলায় বিদেশি জাহাজ থেকে পাচারকালে ডিজেল উদ্ধার
পুলিশ জানায়, মোংলা বন্দর কেন্দ্রিক গড়ে ওঠা দেশি-বিদেশি তেল পাচারকারী চক্র দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে। প্রশাসনের চোখ ফাকি দিয়ে তারা রাতের অন্ধকারে প্রতিনিয়ত জাহাজ ও বোটকার্গো থেকে তেল পাচার করছে। চোরাচালান বা চোরাকারবারিদের দমন করতে পুলিশ, কোস্টগার্ড, নৌ-বাহিনীসহ আাইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তৎপর রয়েছে। তার পরেও মোংলা বন্দরে চোরাকারবারিদের সঙ্গে রয়েছে একটি প্রভাবশালী গ্রুপ। তারা মূলত এ তেল পাচারের সঙ্গে জড়িত রয়েছে।
মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ মনিরুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদ পেয়ে জয়মনির ঘোল এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় তাদের উপস্থিতি বুঝতে পেরে ডিজেল ভর্তি নৌকা ফেলে দৌড়ে পালানোর সময় ধাওয়া করে দুজনকে আটক করা হয়।
পরে পুলিশ বাদী হয়ে আটক দুজনসহ আরও অজ্ঞতনামা তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে। রোববার দুপুরে আটক ওই দুজনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ওসি।
]]>




