বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মুখেও অর্জিত হবে তৈরি পোশাক রফতানি লক্ষ্যমাত্রা
<![CDATA[
বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মুখেও চলতি অর্থবছরে তৈরি পোশাক রফতানির লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হবে, এমন আশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ফারুক হাসান।
শনিবার (২৮ জানুয়ারি) নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে নিয়ে গ্রিন কারখানার স্বীকৃতি পাওয়া দুইটি কারখানা পরিদর্শন শেষে সংগঠনটির সভাপতি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, নিরাপদ কর্ম পরিবেশের স্বীকৃতি বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের রফতানি বাড়াবে। পাশাপাশি দেশের রফতানির ধারা অব্যাহত রাখতে বৈশ্বব্যাপী ব্র্যান্ডিং করতে চায় বিজিএমইএ।
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে দুইটি সবুজ কারখানা পরিদর্শনে ১৭ দেশের রাষ্ট্রদূত ও বেশ কয়েকজন বিদেশি ক্রেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বিশ্ব অর্থনীতির সংকটের সময় এমন উদ্যোগ রফতানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে ইতিবাচক বার্তা দেবে বলে আশাবাদী বিজিএমইএ সভাপতি।
আরও পড়ুন: গ্যাস নিয়ে মন্ত্রণালয়ে বিজিএমইএর চিঠি
তবে এখনো বিদেশি ক্রেতাদের কাছ থেকে খুব একটা সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান শিল্প মালিকরা। একইসঙ্গে গ্যাস-বিদ্যুতের বাড়তি দাম ও সরবরাহ সংকট রফতানি বৃদ্ধি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে বলে জানান মালিকরা।
গত অর্থবছরে তৈরি পোশাক রফতানি ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। যা মোট রফতানির ৮১ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে এই খাত থেকে প্রায় ২৩ বিলিয়ন ডলারের রফতানি আয় এসেছে। চলতি অর্থবছর ৬৭ বিলিয়ন লক্ষ্যমাত্রার মাত্রার মধ্যে তৈরি পোশাক রফতানি থেকে ৪৬ বিলিয়ন ডলার আয় ধরা হয়েছে।
]]>




