ভয় নয়, হয়ে গেল গণিত জয়ের উৎসব
<![CDATA[
‘গণিতের প্রকাশ, প্রতিভার বিকাশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মুন্নু ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে হয়ে গেল গণিত অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতা। মানিকগঞ্জের প্রায় ৪০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুই হাজার শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতার এই উৎসবে অংশ নেয়।
জেলায় এই প্রথমবারের মতো এত বড় গণিত অলিম্পিয়াড উৎসব এর আগে কখনো হয়নি।
এ উৎসবকে ঘিরে সাবেক মন্ত্রী মরহুম হারুনার রশিদ খান মুন্নুর হাতে গড়া মুন্নুর ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণ শুক্রবার (১১ নভেম্বর) সকাল থেকেই শিক্ষার্থী আর অভিভাবকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে। হাজারো শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের উপস্থিতি যেন মিলনমেলায় পরিণত হয় গণিত অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতার এই উৎসবটি।
আরও পড়ুন: বই উৎসবে পুরো সেট পাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা
প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল (অব.) মো. জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সকাল ১০টায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্লাজমা বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. এ এ মামুন এবং বিশেষ অতিথি মুন্নু গ্রুপের চেয়ারম্যান আফরোজা খান রিতা। তারা বেলুন এবং পায়রা উড়িয়ে গণিত অলিম্পিয়াডের শুভ সূচনা করেন।
শুক্রবার বেলা ১১টায় চারটি ক্যাটাগরিতে গণিত অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতা শুরু হয়। ৩০ মিনিটের এই পরীক্ষায় দুই হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেয়। চারটি ক্যাটাগরিতে অলিম্পিয়াড তাই তৃতীয় শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত প্রতি বিভাগ থেকে ১০ জন করে ৪০ জন বিজয়ীকে পুরস্কৃত করা হয়। এ ছাড়া প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে সার্টিফিকেট এবং টি-শার্ট দেয়া হয়।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মুন্নু গ্রুপের চেয়ারম্যান আফরোজা খান রিতা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, শুধু ভালো রেজাল্ট করলেই চলবে না, ভালো একজন মানুষ হতে হবে। দুটোর সমন্বয় থাকলে দেশের জন্য তোমরা কিছু দিতে পারবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এ মামুন বলেন, মানুষের উন্নয়নের জন্য, জীবনে বিকাশের জন্য এবং নিজের শিক্ষা প্রসারের জন্য গণিত খুবই দরকার। আমাদের জীবনটাই একটা গণিতের মতো, প্রত্যেকটা হিসাব কষে কষে আমরা আমাদের জীবনটা পরিচালনা করি। তাই এই গণিতটা যদি আমরা শৈশবকাল থেকে শিখতে পারি, তাহলে আমরা আমাদের ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে পারব।
]]>




