ভুয়া অ্যাকাউন্ট দিয়ে ৬ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য হাতিয়েছে ভয়েজার: মেটা
<![CDATA[
জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভুয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে প্রায় ৬ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে ভয়েজার ল্যাব নামে একটি প্রতিষ্ঠান। ফেসবুকের মাতৃ প্রতিষ্ঠান মেটা নজরদারি করে বেড়ানো এই প্রতিষ্ঠানকে যেন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামসহ মেটার সব সাইট থেকে চিরতরে নিষিদ্ধ করার আবেদন করেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসের পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে চুক্তি করেছিল মতো। সেই চুক্তিতে বলা হয়েছিল, ভয়েজার ল্যাব চাইলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আধেয় বিশ্লেষণ করে পারবে। সম্ভাব্য অপরাধ হার কমানোর লক্ষ্যে এই চুক্তি হয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ফেডারেল আদালতে দায়ের করা মামলায় মেটা বলেছে, ভয়েজারের এমন কর্মকাণ্ডের বিষয়টি নজরে আসে ২০২২ সালের জুলাই মাসে। মেটার অভিযোগপত্রে লেখা হয়েছে, ভয়েজার নজরদারি সফ্টওয়্যার ব্যবহার করেছে। যা ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামের পাশাপাশি টুইটার, ইউটিউব, লিঙ্কডইন এবং টেলিগ্রাম থেকেও তথ্য চুরি করার কাজে ব্যবহৃত হয়। এ জন্য অবশ্যই ভুয়া অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন হয়।
আরও পড়ুন: ফেসবুকে অর্গানিক উপায়ে রিচ বাড়াবেন যেভাবে
মেটা আরও অভিযোগ করেছে, ভয়েজার ৬ লাখেরও বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারীর কাছ থেকে পোস্ট, লাইক, বন্ধুদের তালিকা, ছবি, কমেন্টস এবং গ্রুপ ও পেইজের তথ্য সহ তথ্য সংগ্রহ করেছে। এই কাজগুলো করেত তারা ৩৮ হাজারেরও বেশি ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট তৈরি করে ব্যবহার করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ব্রেনান সেন্টার ফর জাস্টিসের কাছে থাকা সংশ্লিষ্ট নথি থেকে দেখা গেছে, ভয়েজারের পরিষেবাগুলো পুলিশকে নির্দিষ্ট ব্যক্তির ডিজিটাল জীবন পুনর্গঠন, তাদের সামাজিক যোগাযোগসহ ভার্চুয়ার কার্যকলাপের বিষয়ে সম্ভাব্য অনুমান তৈরি করে তার ক্লায়েন্টদের নজরদারি ও তদন্ত করতে সহায়তা করেছে।
ভয়েজারের অভ্যন্তরীণ রেকর্ড থেকে আরও জানা গেছে, ভয়েজার তার এক ক্লায়েন্টকে পরামর্শ দিয়েছে যে, যেসব অ্যাকাউন্ট থেকে আরব গর্ব প্রদর্শন করে বা ইসলাম সম্পর্কে টুইট করে সেগুলোকে সম্ভাব্য চরমপন্থী এবং এবং এসব বিষয়কে সম্ভাব্য চরমপন্থার লক্ষণ বলে বিবেচনা করা উচিত।
]]>




