ভোমরা স্থলবন্দরে কমেছে রাজস্ব আদায়
<![CDATA[
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায় নেমে এসেছে প্রায় অর্ধেকে। এ জন্য বন্দরের অবকাঠামোগত সমস্যা, বাড়তি চাঁদা আদায় এবং এলসি (লেটার অফ ক্রেডিট) সংকটকে দায়ী করছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা। তবে আগামী দেড় বছরের মধ্যে ভোমরা স্থলবন্দরকে আধুনিক বন্দর হিসেবে গড়ে তোলার আশ্বাস দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
ভারতের কলকাতা থেকে দূরত্ব কম হওয়ায় আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে দেশের স্থলবন্দরগুলোর মধ্যে সম্ভাবনাময় সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর। তবে ১০ একর জমি অধিগ্রহণের প্রায় চার বছর পরও অবকাঠামোগত উন্নয়নের অভাবে গত ৬ মাসে এ বন্দরের রাজস্ব আদায় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।
কাস্টমসের তথ্যানুসারে, গত ৬ মাসে ভোমরা বন্দরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫৩০ কোটি ৫১ লাখ টাকা। আর আদায় হয়েছে মাত্র ২৭৭ কোটি ৩০ লাখ টাকা।
আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস বৃহস্পতিবার
বন্দর ব্যবহারকারীদের অভিযোগ, অবকাঠামোগত উন্নয়নের অভাবে এই অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত বন্দরের উন্নয়ন হলে সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়বে বলে জানান তারা।
এদিকে টার্মিনালের অভাবে রাস্তার ওপরই দাঁড়িয়ে থাকে সারি সারি ট্রাক। এতে বন্দরে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। ব্যবসায়ীরা জানান, রাস্তার ওপর ট্রাক রাখায় যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে বন্দরে অচলাবস্থা তৈরি হয়। এছাড়া বন্দরের সার্বিক অবকাঠামোগত পরিবেশ সৃষ্টি হলে কর্মসংস্থান কয়েকগুন বাড়বে বলে জানান তারা।
আর ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি জি এম মাকসুদ খান অভিযোগ করে বলেন, এলসি সংকট এবং আমদানি-রফতানিকারক সমিতির নামে চাঁদা আদায়ের কারণে এ বন্দর ব্যবহারে অনীহা সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া অবৈধভাবে চাঁদা উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার আবেদন জানান তিনি।
তবে দেড় বছরের মধ্যেই ভোমরা আধুনিক বন্দর হিসেবে দৃশ্যমান হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। ভোমরা স্থল বন্দরের উপ-পরিচালক মো. মামুন কবীর তরফদার বলেন, এক থেকে দেড় বছরের মধ্যেই আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে গড়ে উঠবে এ বন্দর।
]]>




