ময়মনসিংহে ছাত্রলীগ-যুবলীগ সংঘর্ষে আহত ২
<![CDATA[
ময়মনসিংহ মহানগরের বাউন্ডারি রোড এলাকায় ছাত্রলীগ ও যু্বলীগের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় দুজন আহত হয়েছেন। বর্তমানে তারা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, আহত ব্যাক্তিরা হলেন- মহানগরীর নতুন বাজার এলাকার রাজ্জাক মিয়ার ছেলে শাকিল (২৫) ও নওমহল এলাকার জাহিদ হাসানের ছেলে রিমন (২০)।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বলেন, আহত অবস্থায় দুজনকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে তার স্বজনরা। পরে তাদেরকে হাসপাতালের হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।
আরও পড়ুন: শরণখোলায় দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০
স্থানীয়রা জানায়, রাত সাড়ে ৮টার দিকে নগরীর বাউন্ডারী রোড এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মহানগর যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল পাঠানের অনুসারীদের সঙ্গে মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক নওশেল আহমেদ অনির অনুসারীরা বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় তাদের দুই গ্রুপের মাঝে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে এবং অতর্কিতভাবে একে অপরের উপর হামলা করে।
পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী বলেন, ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার সময় গোলাগুলির আওয়াজ পাওয়া গেছে। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় আহত দুজনকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক নওশেল আহমেদ অনির কাছে জানতে চাইলে তিনি এ ঘটনায় তার নিজের এবং অনুসারীদের সম্পৃক্ততার কথা নাকচ করে বলেন, ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার সময় মহানগর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সেখানে ছিল না।
অপরদিকে মহানগর যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল পাঠান বলেন, মহানগর যুবলীগ শাখার সদস্য শাহ আলমগীর জয় এর সঙ্গে শনিবারে জমি সংক্রান্ত একটি দরবার হবার কথা ছিল। এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছিল। এ সময় কোনকিছু বুঝে ওঠার আগেই মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক অনি ৫০ থেকে ৬০ জন সন্ত্রাসীদের সঙ্গে নিয়ে এসে জয়ের উপর হামলা করে। পরে জয় ও আমাদের সহকর্মীরা প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং ধাওয়া দিয়ে তাদেরকে বিতাড়িত করা হয়। স্থান ত্যাগের সময় ইট পাটকেল ছুড়তে ছুড়তে তারা পিছু হটে। তবে তার দাবি, গোলাগুলির ঘটনা ঘটেনি।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে আ.লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে কর্মী সম্মেলন পণ্ড, আহত ১৫
এ বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিত স্বাভাবিক থাকলেও উভয় গ্রুপের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে বলেও জানান তিনি।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ্ কামাল আকন্দ জানান, খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।
আহতরা গুলিবিদ্ধ দাবি করা হলেও তিনি বলেন, গোলাগুলির বিষয়টা নিশ্চিত না তবে, দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
]]>




