খেলা

মালয়েশিয়ার নির্বাচন: বাংলাদেশের কর্মী নিয়োগে প্রভাব পড়বে কি?

<![CDATA[

আসন্ন ১৫তম সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভেঙে দেয়া হয়েছে মালয়েশিয়ার সংসদ। রোববার (৯ অক্টোবর) দেশটির রাজা আল-সুলতান আবদুল্লাহ শাহের সঙ্গে সাক্ষাতের পর রাজার সম্মতি পেয়ে সংসদ ভেঙে দেয়া হয়।

স্থানীয় সময় সোমবার (১০ অক্টোবর) বিকাল ৩টার দিকে স্থানীয় টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত এক বিশেষ ভাষণে এ ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকোব।  দেশটির সংবিধান অনুযায়ী, সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণার ৬০ দিনের মধ্যে সাধারণ নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে দেশটির সাবাহ, সারাওয়াক, মেলাকা ও জহুর ছাড়া মালয়েশিয়ার অন্য রাজ্য সরকার তাদের নিজ নিজ রাজ্যের বিধানসভা ভেঙে দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে একযোগে ১৫তম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারির কঠিন সময়ে জনগণের সমর্থনের জন্য তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং সামনে জনগণ তাদের ভোট দিয়ে এমন সরকার বেছে নেবে, যারা বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ ও জাতিগোষ্ঠীর মালয়েশিয়ান পরিবারের ঐক্য ও সম্প্রীতি রক্ষা করবে এবং আগামী ২০২৩ সালের বাজেট বাস্তবায়ন পুনরায় শুরু করার মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সক্ষম হবে।

আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ায় মুক্তিপণ নিয়েও বাংলাদেশিকে হত্যা

গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করা এবং খরচ বাঁচানোর পাশাপাশি জনগণের যাতে কোনো সমস্যা না হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য একই সময়ে নির্বাচন পরিচালনা করা উচিত। এ ছাড়া মনোনয়ন এবং ভোটের তারিখসহ এ সংক্রান্ত অন্য বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে বলেও তিনি জানান।

এদিকে সংসদ ভেঙে দিয়ে মালয়েশিয়ার নতুন সরকার গঠনের এ সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ থেকে চলমান কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রভাব পড়বে না এবং উভয় দেশের মধ্যেই যে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে তা অব্যাহত থাকবে বলে মনে করছেন দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

আসন্ন ১৫তম সাধারণ নির্বাচনে ২২২টি আসনে মোট ৩২ দশমিক ৪ মিলিয়ন ভোটার এবার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে। ২২২ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন হবে ১১২ আসন। সরকার ন্যূনতম ভোটের বয়স ২১ বছর থেকে কমিয়ে ১৮ বছর করার ফলে আসন্ন এই নির্বাচনে প্রায় ২ কোটি ১১ লাখ মালয়েশীয় ভোটার ভোট প্রয়োগ করতে পারবেন। এর মধ্যে প্রায় ৬০ লাখের বেশি ভোটার প্রথমবারের মতো ভোট প্রদান করবে।

 

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকোব আবারও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য তার রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড মালয় ন্যাশনাল অরগানাইজেশনের (ইউএমএনও) প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করেছেন। যদিও অন্যান্য দল এখনও প্রধানমন্ত্রীর জন্য তাদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। এ দিকে নির্বাচন ঘিরে যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে দেশজুড়ে ৯৪ হাজার ৪১১ জন পুলিশ মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির আইজিপি এক্রিল সানি আবদুল্লাহ।

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!