মুন্সীগঞ্জে বেড়েছে মাছের দাম
<![CDATA[
পদ্মা সেতুর চালুতে মাছ দ্রুত হাটে আসায় সরবরাহ বেশি। তারপরও মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিমে মৎস্য আড়তে সপ্তাহের ব্যবধানে বড় ইলিশের দাম বেড়েছে কেজিতে ২০০ টাকা পর্যন্ত। আর অন্য মাছের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ৫০ টাকা থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত।
সরবরাহ বেশি হওয়ার পরও দাম বেশির কারণ হিসেবে সিন্ডিকেটকে দুষছেন ব্যবসায়ীরা।
প্রতিদিন ভোর থেকেই মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিমের হাটে মাছের পসরা ঘিরে ক্রেতা-বিক্রেতার উপচে পড়া ভিড়। পাইকারি এ হাটে দূর দূরান্ত থেকে আসা পাইকারদের পছন্দের মাছ ঘিরে হাঁকডাক।
সরেজমিনে মিরকাদিমের হাটে গিয়ে দেখা যায়, ইলিশ, কৈ, শিং, রুই, কাতল, পাঙ্গাশসহ খাল-বিলের তাজা মাছের ছড়াছড়ি। আছে সামুদ্রিক মাছও। তবে হঠাৎ মাছের দর বাড়তির জন্য সিন্ডিকেটকে দায়ী করা হচ্ছে।
তবে আড়তদাররা সিন্ডিকেটের অভিযোগ আংশিক স্বীকার করে মাছের দাম আকস্মিক বৃদ্ধির জন্য দুষলেন প্রকৃতিকে। কেউ কেউ বলছেন তেলের দামের কারণে পরিবহন ব্যয় বাড়ছে। অভিযোগ চাঁদাবাজিরও।
আরও পড়ুন: নওগাঁয় শৈত্যপ্রবাহে মাছের দাম বেড়েছে
মুন্সীগঞ্জ মিরকাদিম মৎস্য আড়তের আরতদার রানা মাসুদ বলেন, নদীতে মাছ কম। এছাড়া মাছের দাম বাড়ছে কারণ তেলের দামের কারণে পরিবহন ব্যয় বাড়ছে। এর প্রভাব পড়েছে মাছের ওপর।
দেশের পনের জেলা থেকে মাছ আসে এই হাটে। এখনকার ৪০ আরত ঘিরে প্রায় তিন হাজার মানুষের কর্মসংস্থান। প্রতিদিন ২ থেকে ৩ ঘণ্টায় এই হাটে বিক্রি হয় প্রায় কোটি টাকার মাছ।
মিরকাদিম আড়তে মাছের দাম- বড় ইলিশ ১৪০০-১৫০০ টাকা, ছোট ইলিশ ৬০০-১১০০, পাঙ্গাস ১৫০-১৬০, রুই ৩২০-৩৫০, ছোট রুই ১৬০-১৮০, কাতল ২০০-৩৫০, বাগদা চিংড়ি ৫৫০-৬০০, গলদা ১০০০-১২০০, তেলাপিয়া ২০০-২২০, আইর- ৮০০-১০০০, ফলি ৩৫০-৪০০, চেউয়া ৬০০-৬২০, পাবদা ৩০০-৩৫০, চাষের কৈ ১৬০-১৭০, চাষের শিং ৩০০-৩৫০, দেশি শিং ৭০০-৮০০, দেশি মাগুর ৮০০-১০০০, চাষের মাগুর ৩৫০-৪০০, বোয়াল ৪০০-১০০০, বাইলা ৪০০-৮০০, রুপচাঁদা ৩০০-৭০০, সুরমা ২০০-২২০, পোয়া ২০০-৪৫০, গুড়া চাপিলা ১০০-১২০, মলা ৪০০-৪৫০, কোরাল ৪০০-৬০০ টাকা।
]]>




