মেসি-নেইমারদের রুখে দিল রেঁস
<
বিরতি শেষে গোল পেতে মরিয়া হয়ে ওঠে দুই দল। সেই লড়াইয়ে এগিয়ে যায় পিএসজি। ম্যাচের ৫১ মিনিটে আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি বল নিয়ে এগিয়ে যান রেঁসের ডি-বক্সে। সেখানে মেসির আক্রমণ প্রতিহত করেন বিপক্ষ শিবির। তবে নেইমার ছুঁটে এসে জুয়ান বার্নাটের পাসে গোলরক্ষকসহ ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে জালে বল জড়ান। পিএসজি পেয়ে যায় লিড গোল।
আরও পড়ুন: বাফুফের নারী ক্যাম্পে জাপানি বংশোদ্ভূত ফুটবলার
তবে গোলের কয়েক মিনিট পরে ঘটে যায় বিপত্তি। পিএসজির ডি-বক্সের সামনে রেঁসের খেলোয়াড়কে ফাউল করে বসেন মার্কো ভেরাত্তি। রেফারি প্রথমে হলুদ কার্ড এবং ভিএআর পরীক্ষা করে লাল কার্ড দেন ভেরাত্তিকে। তাতে ৫৯ মিনিট থেকে ১০ জনের দলে পরিণত হয় পিএসজি। এ সময়ে গোল শোধ করতে মরিয়া হয়ে ওঠে রেঁস।
এ দিকে এক গোলে এগিয়ে থেকে ব্যবধান বাড়াতে মরিয়া হয়ে ওঠে পিএসজি। এমন কয়েকটি সুযোগও পায় ক্লাবটি। ৬২ মিনিটে এমবাপ্পে, ৬৪ মিনিটে একাধিকবার সার্জিও রামোস, ৮০ মিনিটে আবারও এমবাপ্পে এবং ৮৩ মিনিটে মেসি গোলের সুযোগ নষ্ট করেন। তাতে ব্যবধান আর বাড়ানো হয়নি দলটির।
এর মধ্যে ১০ জনের পিএসজি শিবিরে তাণ্ডব চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে রেঁস। আর তাতে সফলও হয়েছে দলটি। খেলা শেষ হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে তারা দেখে সফলতার মুখ। কমরি ডুম্বিয়ার থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত কৌশলে পিএসজি রক্ষণভাগ ফাঁকি দিয়ে গোলরক্ষক ডোনারুম্মাকে বোকা বানিয়ে জালে বল জড়ান ফোলারিন বালোগুন। তাতে ১-১ গোলের সমতা ফেরে খেলায়। এরপরেই বেজে ওঠে শেষ বাঁশি।
আরও পড়ুন: রেফারি সব সময় রিয়ালকে বেশি সুবিধা দেয়
তালিকার শীর্ষ দলের বিপক্ষে ড্র করে একধাপ কমে ১১তম অবস্থানে এসেছে স্টেড ডি রেঁসে। ২০ ম্যাচ শেষে ৫ জয়, ১১ ড্র ও ৪টি হার নিয়ে তাদের পয়েন্ট এখন ২৬। আর ২০ ম্যাচে ১৫ জয়, ৩ ড্র ও ২টি হার নিয়ে পিএসজির পয়েন্ট ৪৮।
]]>




