মোবাইলে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের অবস্থান ও গতিপথ দেখবেন যেভাবে
<![CDATA[
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং। বাংলাদেশের বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকায় সোমবার (২৪ অক্টোবর) মধ্যরাতে এটি আঘাত হানতে পারে। দেশের ১৩টি জেলায় মারাত্মকভাবে এবং দুটি জেলায় হালকাভাবে আঘাত হানতে পারে।
উপকূলীয় অঞ্চল কক্সবাজার থেকে সাতক্ষীরা পর্যন্ত ৭৩০ কিলোমিটার এলাকাজুড়েই এটি আঘাত হানতে পারে। যার গতিবেগ হবে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫০-৬০ কিলোমিটার। সেই সঙ্গে ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে। স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫ থেকে ৮ ফুটের বেশি জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা রয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের তথ্য জানতে অনেকেই চোখ রাখছেন টেলিভিশন ও পত্রিকার ওয়েবসাইটে।
ঘূর্ণিঝড় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের তথ্য জানার জন্য অনলাইনে বিভিন্ন অ্যাপ ও ওয়েবসাইট রয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতরের ওয়েবসাইটেও ঘূর্ণিঝড়ের সর্বশেষ অবস্থানসহ বাতাসের গতিবেগ সম্পর্কে জানা যায়। ফলে বিদ্যুৎ না থাকলেও মোবাইলে ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্য জেনে নিজেকে রক্ষার পাশাপাশি আত্মীয় বা পরিচিতদের সতর্ক করা সম্ভব।
আরও পড়ুন: নিবিড় তদারকি করছেন প্রধানমন্ত্রী, হটলাইন নম্বর চালু
উইন্ডিডটকম
উইন্ডিডটকম। আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানার জন্য বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় এবং বিশ্বাসযোগ্য অ্যাপ। অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস অপারেটিং সিস্টেমে বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যায় উইন্ডি অ্যাপ। ওয়েবসাইটেও তথ্য জানার সুযোগ মিলে থাকে। ফলে কম্পিউটার থেকেও ঝড়ের বিস্তারিত তথ্য জানা যায়। উচ্চ মানের স্যাটেলাইট চিত্র মানচিত্র আকারে প্রদর্শনের কারণে সহজেই ঘূর্ণিঝড়ের অবস্থান ও সম্ভাব্য গতিপথ সম্পর্কে আগাম তথ্য জানা যায়।
আবহাওয়া অধিদফতরের ওয়েবসাইট
আবহাওয়া অধিদফতরের ওয়েবসাইটে ( ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের অবস্থান ও গতিপথ অনলাইনে দেখা যায়। আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও সতর্কবার্তা জানার পাশাপাশি ঝড়ের সময় করণীয় বিভিন্ন দিকনির্দেশনাও মিলে থাকে। ফলে উপকূল অঞ্চলে বসবাসকারী বা আশপাশের জেলার বাসিন্দা সহজেই করণীয় বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানা সম্ভব। রাডার ইমেজ প্রদর্শনের পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়ের বর্তমান গতিপথ, সম্ভাব্য গতিপথ সম্পর্কেও জানা যায় ওয়েবসাইটটিতে।
আরও পড়ুন: আরও এগিয়ে এলো ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং
ওয়েদার চ্যানেল
এছাড়াও আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানার জন্য বেশ জনপ্রিয় অ্যাপ হলো ওয়েদার চ্যানেল ( গুগল প্লে বা অ্যাপ স্টোর থেকে নামিয়ে ব্যবহার করা যায় অ্যাপটি। ওয়েবসাইট থাকায় কম্পিউটারেও ব্যবহারের সুযোগ মিলে থাকে। স্যাটেলাইটের মাধ্যমে পাওয়া ছবি নিয়ে তৈরি মানচিত্র জুম করে দেখার সুযোগ থাকায় ঝড়ের গতিপথ সম্পর্কে ভালো ধারণা পাওয়া যায়।
]]>




