যে দুই কারণে ইন্টার পরীক্ষায় ব্যর্থ লেওয়ানদোভস্কিরা
<![CDATA[
সান সিরোতে ইন্টার মিলানের বিপক্ষে পুরো ম্যাচে আধিপত্য দেখিয়েছে বার্সেলোনা। বল দখল কিংবা গোলের উদ্দেশ্যে শট, কোথাও পিছিয়ে ছিল না জাভির শিষ্যরা। তবুও ইতালিয়ান জায়ান্টদের বিপক্ষে হেরে মাঠ ছাড়তে হয়েছে লেওয়ানদোভস্কিদের। অবশ্য কাতালানদের হারের পেছনে ছিল দুটো বড় কারণও।
প্রতিপক্ষের মাঠ তবুও বার্সেলোনা বল দখলে রেখেছে ম্যাচের ৭২ শতাংশ সময়। সে তুলনায় আক্রমণে অবশ্য খুব বেশি আধিপত্য দেখাতে পারেনি জাভির শিষ্যরা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মঙ্গলবার (০৪ অক্টোবর) রাতের ম্যাচে রাফিনহা-দেম্বেলেরা এদিন ঠিকঠাক পাস দিতে পারেননি সতীর্থদের।
গোল মেশিন রবার্ট লেওয়ান্দোভস্কিও যেন ছিলেন অনেকটা অগোচরে। গোলের জন্য জাভির শিষ্যরা সবমিলিয়ে শট নেয় ৭টি। যার মধ্যে মাত্র দুটি রাখতে পেরেছিল লক্ষ্যে। কিন্তু ইন্টারের গোলবারে ক্যামেরুন গোলরক্ষক আন্দ্রে ওনানার বাধায় সাফল্য পাওয়া হয়নি পেদ্রিদের।
আরও পড়ুন: অঘটনের শিকার অ্যাতলেটিকো, লিভারপুল জিতল সালাহ-ট্রেন্টের গোলে
তবে একেবারে ব্যর্থ ছিল বার্সা, সেটাও বলা যাবে না। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে পিছিয়ে পড়ার পর, তারা সমতায় ফেরার সুযোগ পায় ম্যাচের ৬৬তম মিনিটে। ডান প্রান্ত থেকে দেম্বেলের উড়ন্ত শট পাঞ্চ করার চেষ্টা করেন ওনানা। কিন্তু ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হন তিনি। বল আনসু ফাতি ও ইন্টারের ডিফেন্ডারদের অতিক্রম করে চলে যায় পেদ্রির কাছে।
অরক্ষিত স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড ফাঁকা জালে বল জড়িয়ে সমতায় ফেরার আনন্দে উল্লাস করেন। কিন্তু রেফারির ভিআর চেকে দেখা যায়, বল অতিক্রম করার সময় হেড দেয়ার চেষ্টা করা ফাতির হাতে লাগে বল। হ্যান্ডবলে বাতিল হয়ে যায় গোল।
দ্বিতীয় যে কারণ তাতে অবশ্য রেফারির পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্তকে দায়ী করেছেন বার্সা কোচ। ম্যাচের অতিরিক্ত মিনিটে ডি বক্সে বল ক্লিয়ার করার চেষ্টায় হেড দেন ডামফ্রিস। আনসু ফাতির মতো এ বলটিও মাথায় না লেগে হাত স্পর্শ করে। বার্সা খেলোয়াড়দের আবেদনে ভিআর চেক করলেও, রেফারি পেনাল্টির আবেদন নাকচ করে দেন। ডাগআউট থেকে রেফারিকে একাধিকবার আবেদন করে হলুদ কার্ড দেখেন জাভি।
আরও পড়ুন: টানা দ্বিতীয় হার বার্সেলোনার, গোলবন্যায় জিতল বায়ার্ন
ম্যাচশেষে এ নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেন জাভি। তিনি বলেন, ‘ যে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে আমাদের যেতে হয়েছে তার জন্য আমি ক্ষুব্ধ এবং বিরক্ত। এটা অবিচার। আমি গতকালই বলেছিলাম রেফারিদের’ও উচিত সবসময় সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেয়া এবং মিডিয়া ফেইস করা! স্পষ্টই দেখা গিয়েছে বল হাতে লেগেছে।’
তিনি যোগ করেন, ‘দ্বিতীয়ার্ধে আমরা ভালো অবস্থায় ছিলাম। আমরা অনেক আক্রমণ করেছি। শেষ শটটি হাতছাড়া হলো। তারা কঠিন প্রতিপক্ষ আমরা জানি। কিন্তু আমার মনে হয়, আমরা আরও ভালো কিছু ডিজার্ভ করি।’
টানা দুই হারে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর পথটা কঠিন হয়ে গেল বার্সেলোনার জন্য। বায়ার্ন মিউনিখ ও ইন্টারের বিপক্ষে পরের দুই ম্যাচ অবশ্য নিজেদের ঘরের মাঠে থাকায় এখনই আশাহত হতে চান না কাতালানরা।
]]>




