রংপুরে নানা আয়োজনে রোকেয়া দিবস পালিত
<![CDATA[
নারী জাগরণের অগ্রদূত রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪২তম জন্মবার্ষিকী ও ৯০তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে রংপুরে উদযাপন করা হয়েছে বেগম রোকেয়া দিবস।
শুক্রবার (০৯ ডিসেম্বর) সকালে দিবসটি উপলক্ষে বেগম রোকেয়ার জন্মভূমি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দে রোকেয়ার স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণের পর জাতীয় পতাকা উত্তোলন, পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে দিবসটির উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার সাবিরুল ইসলাম।
পরে রোকেয়া দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ৩ দিন ব্যাপী মেলা পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় জেলা প্রশাসক ড. চিত্রলেখা নাজনীন, পুলিশ সুপার মো. ফেরদৌস আলী চৌধুরীসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও রোকেয়া অনুরাগীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে মহীয়সী রোকেয়ার নামে প্রতিষ্ঠিত উত্তরের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়েও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে নয়টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও রোকেয়ার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড মো. হাসিবুর রশীদ।
আরও পড়ুন: দিবসের শোকেসে বন্দি বেগম রোকেয়া: ধ্বংসের পথে স্মৃতিচিহ্ন
পরে উপাচার্যের নেতৃত্বে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয়ে একটি শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে আলোচনা সভা ও রোকেয়া সম্পর্কিত একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
আলোচনা সভায় উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. শরিফা সালোয়া ডীনা, কলা অনুষদের ডিন ড. তুহিন ওয়াদুদ, শিক্ষক সমিতির সভাপতি শরিফুল ইসলাম বক্তৃতা করেন।
১৮৮০ সালের এই দিনে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দের এক নিভৃত পল্লীতে জন্মগ্রহণ করেন বেগম রোকেয়া। এ মহীয়সী নারী ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পর উত্তর কলকাতার সোদপুরে সমাহিত করা হয় তাকে।
প্রতিবছর ৯ ডিসেম্বর ‘রোকেয়া দিবস’হিসেবে দিনটি সরকারিভাবে পালন করা হয়। রোকেয়া সাখাওয়াত ২০০৪ সালে বিবিসি বাংলার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জরিপে ষষ্ঠ স্থানে ছিলেন।
]]>




