রিজওয়ানকে হটিয়ে টুর্নামেন্টসেরা হাসারাঙ্গা
<![CDATA[
এশিয়া কাপের ফাইনালে পাকিস্তানকে ২৩ রানে হারিয়ে এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পেল শ্রীলঙ্কা। অথচ আফগানিস্তানের বিপক্ষে গ্রুপপর্বে শোচনীয় হারের পর কেউ কল্পনাই করতে পারেনি যে ভারত-পাকিস্তানের মতো পরাশক্তিকে উড়িয়ে দিয়ে ফাইনালে উঠবে লঙ্কানরা। এটি এশিয়া কাপে লঙ্কানদের ষষ্ঠ শিরোপা। শিরোপার পাশাপাশি টুর্নামেন্টসেরার পুরস্কারও উঠেছে লঙ্কান স্পিনার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার হাতে।
দুবাইয়ে রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) শ্রীলঙ্কার দেয়া ১৭১ রান তাড়া করতে নেমে নির্ধারিত ওভার শেষে সব কটি উইকেট হারিয়ে পাকিস্তানের ইনিংস থামে ১৪৭ রানে। ফাইনালে লঙ্কানদের ম্যাচ জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন দিলশান মাদুশান। ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি। তবে এশিয়া কাপের সেরার পুরস্কারটা উঠেছে হাসারাঙ্গার হাতে।
আরও পড়ুন: সেই শ্রীলঙ্কাই উড়াল এশিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের ঝান্ডা
পাকিস্তানি ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ানের দিকেই বেশি ঝুঁকেছিল এশিয়া কাপের টুর্নামেন্টসেরার পুরস্কারটা। তবে ফাইনাল ম্যাচটা যেমন পাকিস্তানের কাছ থেকে শ্রীলঙ্কার দিকে ঘুরিয়ে নিয়েছেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, ঠিক সেভাবেই কেড়ে নিয়েছেন রিজওয়ানের পুরস্কারটাও।
পাকিস্তান ফাইনাল জিতলে টুর্নামেন্টসেরাই হতে পারতেন রিজওয়ান। এই আসরে সবচেয়ে বেশি রান করেছেন রিজওয়ান, ৬ ম্যাচে তার রান ২৮১। আছে ম্যাচ উইনিং নকও।
এদিকে হাসারাঙ্গা রান করেছেন মাত্র ৬৬। তবে এই লঙ্কান যা পারেন, পাকিস্তানের রিজওয়ান তা পারেন না। কারণ, উইকেট কিপিংটাকে এখনও আলাদা যোগ্যতা হিসেবে ধরে না ক্রিকেট। সুতরাং রিজওয়ানও অলরাউন্ডার নন।
আর এদিকেই এগিয়ে গিয়েছেন হাসারাঙ্গা। এই লঙ্কান লেগ স্পিনার ৬ ম্যাচে নিয়েছেন ৯ উইকেট, যা টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর মধ্যে ফাইনালেই নিয়েছেন ৩ উইকেট। ফাইনালে আবার চাপের মুখে দাঁড়িয়ে ব্যাট হাতেও ২১ বলে ৩৬ রানের এক ঝড়ো ইনিংস খেলেন। সব মিলিয়ে টুর্নামেন্টসেরার পুরস্কারটা উঠেছে হাসারাঙ্গার হাতেই।
]]>




