লড়াইটা আগ্রাসী ব্যাটিং লাইনের সঙ্গে দুর্দান্ত বোলারদের
<![CDATA[
ফাইনালের লড়াইটা হবে ইংল্যান্ডের আগ্রাসী ব্যাটিং লাইনের সঙ্গে পাকিস্তানের দুর্দান্ত বোলারদের। দুই থ্রি লায়ন ওপেনার বিশ্বের যে কোনো দলের জন্য ত্রাস সৃষ্টি করে। তবে তার জবাব দেয়ার জন্য আছেন আফ্রিদি-হারিস-নাসিম শাহরা। পুরো আসরে বিবর্ণ বেন স্টোকস কি জ্বলে উঠবেন ফাইনালে? নাকি নিজেকে আরও একবার বিগ ম্যাচ প্লেয়ার হিসেবে প্রমাণ করবেন শাদাব খান? ফাইনালে কাদের ওপর থাকবে স্পট লাইট?
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এবারের আসরের ৪৪ ম্যাচ শেষ। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন পেতে এখন মেলবোর্নে মহারণের অপেক্ষা। উইন্ডিজের পাশে বসবে পাকিস্তান বা ইংল্যান্ড যেকোনো এক দেশ।
ফাইনালের আগে বার বার ঘুরে ফিরে আসছে ’৯২ প্রসঙ্গ। অনেকটা একই প্রেক্ষাপটে ’৯২ সালে ইমরান খানের নেতৃত্বে বিশ্ব শিরোপা জিতেছিল পাকিস্তান। এবারো কি তার পুনরাবৃত্তি হবে? অবশ্য কিছু বিষয় মিলে যাচ্ছে ইংল্যান্ডেরও। ৩০ বছর আগে থ্রি লায়নদের নেতৃত্বে থাকা গ্রাহাম গুচ ওপেনিং ব্যাটসম্যান ছিলেন। এবার থ্রি লায়নদের অধিনায়ক বাটলারও খেলছেন ওপেনিংয়ে।
আর এই ওপেনিংই ইংল্যান্ডকে সাহস দেখাচ্ছে নিজেদের দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের। বিশ্বকাপের শুরুর দিকে ব্যাটে রান না পেলেও আসর যত গড়িয়েছে ছন্দ ফিরে পেয়েছেন বাটলার ও হেইলস। একটি করে ম্যাচ কম খেলেও দুজনই আছেন রান তোলার শীর্ষ ১০ জনের তালিকায়। অবশ্য রানের চেয়ে প্রতিপক্ষের বোলারদের ভয় ধরাবে এই দুজনের স্ট্রাইক রেট। আসরে অন্তত দেড়শো রান করেছেন এমন ব্যাটসম্যানদের মধ্যে স্ট্রাইক রেটে শীর্ষে পাঁচে আছেন বাটলার-হেইলস।
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের শিরোপার মঞ্চ প্রস্তুত
ওপেনিং স্বস্তি দিলেও ইংল্যান্ডের চিন্তার কারণ। মিডল অর্ডার। লিভিংস্টোন, মালান, স্টোকস। কেউই নেই রানের মধ্যে। ২০১৯ বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক স্টোকস হয়তো সেরাটা তুলে রেখেছেন ফাইনালের জন্য।
শুধু দ্বিতীয় রাউন্ডের উইকেট হিসাব করলে নরকিয়ার পর উইকেট শিকারে এগিয়ে স্যাম কুরান। তার পরেই আছেন পেস সেনসেশান শাহীন শাহ আফ্রিদি।
অবশ্য এই ম্যাচে ইংল্যান্ডকে আলাদা করেই ভাবতে হবে শাদাব খানকে নিয়ে। ধীরে ধীরে নিজেকে বিগ ম্যাচ প্লেয়ারে রূপান্তর করছেন এই অলরাউন্ডার। শুধু বল হাতে না, দলকে সাপোর্ট দিচ্ছেন ব্যাটিংয়েও। বিশ্বকাপে রান তুলেছেন ১৮১ স্ট্রাইক রেটে। আর সাড়ে ৬ ইকোনমিতে উইকেট নিয়েছেন ১০টি।
আরও পড়ুন: মেসির ক্যারিয়ারে যত প্রথম অর্জন
’৯২- এর সাদৃশ্যের কথা বারবার আসছে। এ আসরেও ইংল্যান্ড-পাকিস্তানের মিল আছে। মেলবোর্নে দুদলই একটি করে ম্যাচ খেলে হেরে গিয়েছিল। এখন অপেক্ষা ফাইনালের। পাকিস্তান তো আগেও এই মঞ্চে বিশ্বকাপ জিতেছে। তাহলে এবার কি ইংল্যান্ডের পালা?
]]>




