বাংলাদেশ

শরীরের জন্য বিষ যেসব খাবার!

<![CDATA[

রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য হয়তো আপনি পরিবর্তন এনেছেন আপনার ডায়েট লিস্টে, নয়তো প্রতিদিনের জীবনযাত্রায়। কিন্তু এ প্রচেষ্টার সবই বিফলে যাবে যদি আপনি কিছু নির্দিষ্ট খাবার এখনও আপনার ডায়েট লিস্টে রেখে দেন। দেহের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়ার পাশাপাশি এসব খাবার শরীরে ধীরগতির বিষের মতো কাজ করে।

ধরুন আপনার ডায়েট লিস্টে রঙিন শাকসবজি ও ফলমূলের অভাব নেই। কিন্তু তারপরও এর উপকারিতাগুলো আপনি আপনার মধ্যে লক্ষ্য করতে পারছেন না।

যদি আপনি এমন সমস্যার সম্মুখীন হন তাহলে আপনার ডায়েট লিস্টে অবশ্যই আরও কিছু খাবার রেখেছেন যেগুলো এসব ভালো খাবারের উপাদানগুলোকে নষ্ট করে দেয়।

আসুন জেনে নিই কোন ধরনের খাবারগুলো আপনার শরীরে ভালো খাবারের পুষ্টিগুণগুলোকে নষ্ট করে দিয়ে ধীরগতির বিষের মতো কাজ করে সেসব খাবারের নাম।

আরও পড়ুন: শীতে হার্ট সুরক্ষিত রাখবেন কীভাবে?

ধীরগতির বিষের ক্ষেত্রে প্রথমেই যে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তা হলো শরীরে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া। আর রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে এমন খাবারের মধ্যে প্রথম সারিতে যে খাবারটি আছে তা হলো চিনি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়ার পাশাপাশি এটি দেহের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। তাই আপনি যত ভালো খাবারই আপনার ডায়েট লিস্টে রাখুন না কেন তাতে কোনো লাভ হবে না, যদি আপনি চিনি খাওয়া বাদ না দিতে পারেন।

চিনির মতো লবণও একটি খাবার যা আপনার শরীরে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে বাধা দেয়। এ ছাড়া অতিরিক্ত ভাজাপোড়া আর ফাস্ট ফুডের খাওয়ার অভ্যাস বন্ধ না করতে পারলে আপনার শরীরে রোগ-প্রতিরোধ বাড়ার বদলে উল্টো কমবে।

আরও পড়ুন: ওষুধ ছাড়াই মানসিক চাপ কমবে যেভাবে

এ ছাড়া কেক ও পেস্ট্রির মতো খাবারগুলোতে অতিরিক্ত চিনি, ময়দা আর স্নেহপদার্থ থাকে যা আমাদের শরীরে জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। জাঙ্কফুড, বাইরের খোলা খাবার, বিভিন্ন ধরনের সফট ড্রিংকস বা কোমল পানীয় আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর জেনেও আমরা প্রায়ই এইসব খাবার খেয়ে ফেলে আমরা নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনছি।

শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক সবারই ক্ষেত্রে দৈনন্দিন জীবনে এসব খাবারের অভ্যাস ভালো খাবারের পুষ্টিগুণ থেকে আমাদের বঞ্চিত করে। সেই সঙ্গে শরীরে তা কাজ করে ধীরগতির বিষের মতো। তাই ভালো খাবারের এ পুষ্টিগুণগুলো পেতে এবং শরীরে ধীরগতির বিষক্রিয়া প্রতিরোধ করতে অবশ্যই এ সব অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস থেকে নিজ ও পরিবারকে দূরে রাখা উচিত।

সূত্র: আনন্দবাজার 
 

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!