শাবিপ্রবির ভিসিবিরোধী আন্দোলনের ৫ ছাত্রের মামলা নিষ্পত্তি
<![CDATA[
সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে ‘জড়িত’ থাকার অভিযোগে সাবেক পাঁচ ছাত্রের নামে করা মামলা নিষ্পত্তি দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে সিলেট দায়রা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নওশাদ আহমদ চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়া আসামিরা হলেন- কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০০৬-০৭ সেশনের এ এফ এম নাজমুস সাকিব, ২০১১-১২ সেশনের শিক্ষার্থী ফয়সাল আহমেদ, ২০১২-১৩ সেশনের হাবিবুর রহমান, স্থাপত্য বিভাগের ২০০৯-১০ সেশনের শিক্ষার্থী রেজা নূর মঈন, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১১-১২ সেশনের এ কে এম মারুফ হোসেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে সিলেট মেট্রোপলিটন আদালত-২ এর সুমন ভুঁইয়ার আদালতে এ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জালালাবাদ থানার ওসি (তদন্ত) আবু খালেদ মামুন আদালতে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। চূড়ান্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে অপরাধে কোনো সম্পৃক্ততা না পেয়ে আদালত তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।
আরও পড়ুন: মধ্যরাতে শাবির হলে ছাত্রলীগের হাতাহাতি
জানা যায়, শাবিপ্রবির ভিসিবিরোধী আন্দোলনে অর্থ যোগানসহ নানা সহযোগিতা করার অপরাধের অভিযোগ এনে ওই শিক্ষার্থীদের নামে জালালাবাদ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলার বাদী ছিলেন সিলেট জেলা তাঁতী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. লায়েক আহমদ (২৬)। পরে ২৫ জানুয়ারি তাদেরকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করে সিআইডি। এর পরদিন ২৬ জানুয়ারি তাদের আদালতে তোলা হলে আদালত তাদের জামিনে ছেড়ে দেন।
উল্লেখ্য, গত ১৩ জানুয়ারি রাতে ছাত্রীহলের সমস্যা নিয়ে ছাত্রীরা প্রভোস্ট জাফরিন আহমেদ লিজার সঙ্গে কথা বলতে যান। তবে প্রভোস্ট ছাত্রীদের অভিযোগ আমলে না নিয়ে উল্টো তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এতে শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে তিনদফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। এরপরে ১৬ জানুয়ারি উপাচার্য অবরুদ্ধ হলে পুলিশ শিক্ষার্থীদের উপর লাঠিচার্জ, রাবার বুলেট এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে উপাচার্যকে উদ্ধার করে। পুলিশি এই হামলায় ৪০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী আহত হন। এ ঘটনায় ভিসির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।
]]>




