শ্যামগঞ্জ-জারিয়া-বিরিশিরি মহাসড়কের ওয়েটস্কেল স্টেশনটির কাজ কী!
<![CDATA[
অবকাঠামো নির্মাণ হলেও দীর্ঘদিন ধরে পড়ে আছে নেত্রকোনার দুর্গাপুর শ্যামগঞ্জ-জারিয়া-বিরিশিরি মহাসড়কের ওয়েটস্কেল স্টেশনটি। অতিরিক্ত বালু বহনকারী যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করে মহাসড়ক রক্ষার জন্য এ স্টেশন তৈরি করা হয়। কিন্তু অব্যবহৃত পড়ে থাকায় যন্ত্রাংশ নষ্টের পাশাপাশি ক্ষতি হচ্ছে সড়কের। অবশ্য পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ করে দ্রুত স্টেশনটি চালু করার আশ্বাস দিয়েছে সড়ক বিভাগ।
২০২১ সালে নেত্রকোনার দুর্গাপুর মহাসড়কের জারিয়া এলাকায় ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ওয়েটস্কেল স্টেশনসহ তিন কিলোমিটার রিজিড পেভমেন্ট এবং ৬টি কালভার্টের কাজ শুরু হয়। আরও প্রায় ৪ কোটি টাকা বাড়িয়ে সর্বমোট তিন লেনে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে শেষ হয় স্টেশনটির অবকাঠামোগত কাজ। স্থাপন করা হয় উন্নতমানের ক্যামেরাসহ গতিরোধক।
আরও পড়ুন: শরীয়তপুরে ৩১ কি.মি মহাসড়কের বেহাল দশা
দুর্গাপুরের সোমেশ্বরী নদী থেকে অতিরিক্ত বোঝাই করে বালু যায় সারা দেশে। এতে ব্যাপক ক্ষতি হয় কয়েকশো কোটি টাকায় নির্মিত মহাসড়কটির। প্রতিরোধে মহাসড়কের পাশে ওয়েট স্টেশন নির্মাণ করা হয়। কিন্তু এটি ব্যবহার না হওয়ায় পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রাংশ ও দামি ক্যামেরা। পাশাপাশি, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মহাসড়কটিও।
রেগনাম গ্রুপের প্রতিনিধি মো. জুয়েল রানা জানান, প্রতিদিন হাজার খানেক ট্রাক চলাচল করে এ সড়কে। প্রায় প্রতিটি ওভারলোড করে মালামাল পার করছে। এ বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করতে এ ওয়েটস্কেল স্টেশনটি তৈরি করা হলেও কাজের হচ্ছে না। ফলে রাস্তা ক্রমাগত ধ্বংস হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ঝালকাঠিতে রাস্তা নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ
নেত্রকোনার সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহরিয়ার শরীফ খান বলেন, ‘ওয়েটস্কেল স্টেশনটির অবকাঠামো অংশের কাজ শেষ হয়েছে। এখন সফটওয়ার ও জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ অংশের কাজ হয়ে গেলে আমরা ওয়েট স্টেশনটি চালু করর।’
২০১৯-২০ অর্থবছরে জেলার ময়মনসিংহ-শ্যামগঞ্জ-জারিয়া-বিরিশিরি মহাসড়কটি ৩১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়।
]]>




