খেলা

সংযোগ সেতুতে বিস্ফোরণের ঘটনায় ইউক্রেন দায়ী: মস্কো

<![CDATA[

ক্রিমিয়া-রাশিয়া সংযোগ সেতুতে বিস্ফোরণের ঘটনায় ইউক্রেনকে দায়ী করেছে রাশিয়া। এটাকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বলছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

এদিকে রাশিয়ার হুমকি সত্ত্বেও ইউক্রেনকে অস্ত্র পাঠানো অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আর ইউক্রেন যুদ্ধ ইস্যুতে নিজ দেশেই পুতিন চাপের মধ্যে রয়েছেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

গত শনিবার (৮ অক্টোবর) ভয়াবহ বিস্ফোরণে রাশিয়া ও ক্রিমিয়ার সংযোগ সেতুর সড়কপথের কিছু অংশ ধসে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই আংশিকভাবে যান চলাচল শুরু হয় সেতুতে। এ ঘটনায় কেউ দায় স্বীকার না করলেও শুরু থেকেই ইউক্রেনের দিকেই সন্দেহের তির ছিল রাশিয়ার।

আরও পড়ুন: ক্রিমিয়ার সেই সেতুতে রাশিয়ার নিরাপত্তা জোরদার

রোববার (৯ অক্টোর) আবারও বিষয়টি স্পষ্ট করেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

এদিন, তদন্ত কমিটির প্রধান আলেকজান্ডার বাস্ট্রিকিনের সঙ্গে বৈঠকে এ ঘটনার পেছনে কিয়েভকে অভিযুক্ত করেন তিনি। বিস্ফোরণের ঘটনাকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড উল্লেখ করে পুতিন বলেন, রাশিয়ার বেসামরিক অবকাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ এ অংশ ধ্বংস করার লক্ষ্যেই ইউক্রেনের গোয়েন্দা বাহিনী এ হামলা চালিয়েছে। ঘটনার দিন বেশ কয়েকজন হতাহতের কথাও জানান রুশ প্রেসিডেন্ট। এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পেছনে ইউক্রেনের বিশেষ বাহিনী, রাশিয়াসহ বিদেশি নাগরিকের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে জানান তদন্ত কমিটির প্রধান।

চলমান রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধে কিয়েভকে অস্ত্রসহায়তা দিলে ওয়াশিংটনকে কঠোর পরিণতি ভোগের হুমকি দেয় মস্কো। রুশ হুমকি-ধমকি সত্ত্বেও রুশ সেনাদের প্রতিহত করতে ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। রোববার হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা মুখপাত্র জন কিরবি এ কথা জানান।

তবে, রাশিয়ার সঙ্গে ক্রিমিয়ার সংযোগ সেতুতে বিস্ফোরণ নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান তিনি।

কিরবি বলেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এ যুদ্ধ শুরু করেছেন, তিনি চাইলেই বন্ধ করতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সবাই যুদ্ধের অবসান চাই। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী করা ঠিক হবে না। দুই পক্ষেরই উচিত যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার মাধ্যমে একটি সমাধানের পথ খুঁজে বের করা। কিন্তু এ বিষয়ে পুতিনের কোনো আগ্রহই দেখা যাচ্ছে না।’

এদিকে, ইউক্রেন যুদ্ধ ইস্যুতে নিজ দেশেই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চাপের মধ্যে রয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, ইউক্রেনে সেনা সমাবেশের ঘোষণার পর থেকেই ব্যাপক জনরোষে পড়েছেন পুতিন। গত সেপ্টেম্বরে করা এক জরিপে দেখা যায়, পুতিনের প্রতি সমর্থন কমে ৭৭ শতাংশে নেমে এসেছে। যেখানে ফেব্রুয়ারিতে কিয়েভে সামরিক অভিযান শুরুর পর পুতিনের প্রতি জনসমর্থন ছিল ৮০ শতাংশ। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম রয়টার্স সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!