সরকার নির্ধারিত চালের দামে মিলারদের অভিযোগ মানবে না খাদ্য অধিদফতর
<![CDATA[
সরকারি গুদামে মজুতের লক্ষ্যে সরকার নির্ধারিত চালের দামে মিলারদের লোকসান হয়, এমন অভিযোগ মানতে রাজি নন খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন।
শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকার একটি হোটেলে বাংলাদেশ অটো মেজর অ্যান্ড হাসকিং মিল মালিক সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় বক্তব্যে এমনই মন্তব্য করেছেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক।
ব্যবসায়ীদের এমন অভিযোগ সঠিক নয় জানিয়ে তিনি বলেন, ৪০ টাকা কেজি দরে লোকসানের মুখে পড়ার অভিযোগ আনলেও অনেক মিলার এ দামে নির্ধারিত পরিমাণ চালের চেয়েও অনেক বেশি পরিমাণ চাল সরবরাহ করেছে সরকারকে।
খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ৪০ টাকা কেজিতে লোকসানের মুখে পড়ার অভিযোগ আনলেও কোন কোন মিলারের ১০ হাজার মেট্রিক টন চাল সরবরাহের কথা থাকলেও তিনি আরও অতিরিক্ত ৭ হাজার মেট্রিক টন চাল সরবরাহ করেছেন সরকারি গুদামে। তারা কীভাবে ব্যবসা করলেন প্রশ্ন রাখেন মহাপরিচালক।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেলের কৃতিত্ব যুবসমাজের: প্রধানমন্ত্রী
সংগঠনের সভাপতি মো. আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাইল হোসেন।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মিল মালিক সমিতির উপদেষ্টা ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু বলেন, আমাদের দেশের বাজারে মিনিকেট নামে চাল নেই। অনেকে বলেন মিলাররা চাল কেটে সরু করেন। এটা সত্য নয়। চাল সরু করতে গেলে ভেঙে যায়। তবে বিভিন্ন মেশিনের মাধ্যমে পলিশ করে চকচকে করা হয়।
খাদ্য সচিব ইসমাইল হোসেন বলেন, মিলারদের বর্তমান আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভোক্তাদের জানাতে হবে, মিলগেটে কত টাকায় চাল বিক্রয় হলো। এর ফলে খুচরা বিক্রেতারা দাম বাড়ানোর জন্য মিলারদের দোষ দেয়ার সুযোগ পাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
]]>




