বিনোদন

সরে দাঁড়ালেন বরিস

<![CDATA[

কনজারভেটিভ নেতৃত্বের দৌড়ে বাধা হয়ে দাঁড়াবেন না সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এর ফলে ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অনেকটা পথ পরিষ্কার হলো ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনাকের।

এর আগে বরিস তার সমর্থকদের বলেছিলেন, তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে চান। তার সঙ্গে মন্ত্রীসভা সদস্য জ্যাকব রিস-মগ, জেমস ক্লিভারলি, অ্যান-মেরি ট্রেভেলিয়ান, নাদিম জাহাউই, অলোক শর্মা, সাইমন ক্লার্ক এবং ক্রিস-হিটন হ্যারিসের সমর্থন রয়েছে।

নেতা নির্বাচনের লড়াইয়ে নিজেকে শামিল করতে ক্যারিবিয়ান ছুটি সংক্ষিপ্ত করে শনিবার (২১ অক্টোবর) দেশে ফিরেছিলেন বরিস জনসন। যাহোক, রোববার (২৩ অক্টোবর) কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান হতে ৩৭৫ জন টোরি এমপিদের মধ্যে মাত্র ৬০ জনের সমর্থন পাওয়ায় তিনি এ নির্বাচনের দৌড়ে আর থাকছেন না।

বরিসের দাবি, তার যথেষ্ট সমর্থন রয়েছে। কনজারভেটিভ পার্টির সদস্যদের সঙ্গে নির্বাচনে তার সফল হওয়ার খুব ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদে ঐক্যবদ্ধ দল না থাকলে কার্যকরভাবে শাসন করা যায় না। আমি বিশ্বাস করি আমার অনেক কিছু দেওয়ার আছে। কিন্তু আমি ভয় পাচ্ছি। কারণ, এটি এখন সঠিক সময় নয়। আমি এই মনোনয়নে থাকতে চাই না। সুনাক ও পেনি মর্ডান্ট (পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সের নেতা) যেই সফল হোক, তার প্রতি আমার সমর্থন থাকবে।

নিয়ম অনুযায়ী, প্রার্থিতা নিশ্চিত করতে ৩৫৭ জন কনজারভেটিভ (টোরি) এমপির মধ্যে ন্যূনতম ১০০ জনের সমর্থন পেতে হবে। যিনি দলের নেতা হবেন, তিনিই দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হবেন।

দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি ও কর হ্রাস করার উদ্যোগ নিয়ে ব্যর্থ হয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে লিজ ট্রাস ক্ষমতা গ্রহণের ৪৫ দিন পর পদত্যাগ করেন।

শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) ঘোষণা করা হতে পারে করজারভেটিভ পার্টির নতুন নেতা ও পরবর্তী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর নাম।

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also
Close
Back to top button
error: Content is protected !!