Feni (ফেনী)সোনাগাজী

সোনাগাজীর আলোচিত মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার বাদীর জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে জিডি

সোনাগাজী | তারিখঃ September 30th, 2022 | নিউজ টি পড়া হয়েছেঃ 334 বার

সোনাগাজী প্রতিনিধি->>

সোনাগাজীর আলোচিত মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার বাদী মাহমুদুল হাসান নোমান ও তার পরিবারের সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি দৈনিক সমকাল পত্রিকার সোনাগাজী প্রতিনিধি আবুল হোসেন রিপন ও বিদেশে অবস্থানরত সাংবাদিক ইলিয়াছ হোসেন সহ আরো কতেকজনের বিরুদ্ধে এ জিডি (সাধারণ ডায়েরি) করেছেন। সোনাগাজী মডেল থানার জিডি নং-১৫০১ (তাং-২৯-০৯-২০২২)।

জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি ও তার বোন নুসরাত জাহান রাফি ২০১৯ সালের ৬এপ্রিল আগুন সন্ত্রাসের শিকার হওয়ার পর আবুল হোসেন রিপন তার ব্যক্তিগত ফেইসবুকে ”সোনাগাজীতে পেট্রোল ঢেলে মাদরাসা ছাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা” ভিডিও শিরোনামে একটি বিতর্কিত পোস্ট আপলোড করেন। ঘটনার পর হতে মামলা তদন্তাধীন সময়, বিচার কার্য চলাকালীণ সময়, মামলার বায় ঘোষণার আগে-পরে সহ গত বিগত বেশ কিছু দিন যাবৎ নুসরাতের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে নানা বিতর্কিত মতামত ফেইসবুকে আপলোড করে যাচ্ছেন। সে কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল ও দুষ্কৃতিকারীর দ্বারা প্রলুব্ধ হয়ে নুসরাত হত্যা মামলায় ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামিদের স্বজনদেরকে নানা প্রলোভনে প্রলুব্ধ করে বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিদেশে অবস্থানরত সাংবাদিক ইলিয়াছ হোসেনকে দিয়ে তার ব্যবহৃত ইউটিউবে ভিডিও ক্লিপস (ট্রেইলর) আপলোড করে। যা জনমনে বিভ্রান্ত্রি সৃষ্টি করেছে এবং নুসরাতের পরিবারের সদস্যদের জন্য মানহানি ও অবমাননাকর। ভিডিও ক্লিপ আপলোড করার পর আবুল হোসেন রিপনের প্ররোচনায় ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামির স্বজনরা মানববন্ধন করা সহ মামলার বাদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা সহ নানা হুমকি দিচ্ছে। এতে বাদী ও তার পরিবারের সদস্যরা জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।

উল্লেখ্য; অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাহর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির মামলা তুলে নিতে ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল অগুন সন্ত্রাসের শিকার হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিক্যােলের বার্ন ইউনিটে মারা যান। তার ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে সোনা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। সোনাগাজী মডেল থানার মামলা নং- ১০(০৪)১৯। মামলাটি তদন্ত করে পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশন অব বাংলাদেশ চার্জশীট দাখিল করেন। ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক মামুনুর রশিদ ১৬ আসামির মৃত্যুদন্ডের আদেশ দেন। ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামি কারাগারে রয়েছেন। আসামিদের আপীলের প্রেক্ষিতে মামলাটি হাইকোর্টে আপীল শুনানীর জন্য অপেক্ষমান রয়েছে।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!