সৌম্যর বাদপড়া ও শান্তর থাকার কারণ জানালেন পাপন
<![CDATA[
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগে জোরাল গুঞ্জন ছিল, স্কোয়াডে জায়গা পেতে পারেন সৌম্য সরকার। তবে সবাইকে অবাক করে দিয়ে দলে নেয়া হয় নাজমুল হোসেন শান্তকে। সৌম্যকে রাখা হয় স্ট্যান্ডবাই হিসেবে।
শান্তকে দলে নেয়া প্রসঙ্গে সেসময়ই প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু জানিয়েছিলেন, ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগের পারফরম্যান্স দেখে শান্তকে নেয়া হয়েছে। যদিও বিপিএলে তার দুটি সেঞ্চুরি আছে ঠিকই; কিন্তু সবশেষ মৌসুমে তার ব্যাটিং আশা দেখাবে না কাউকেই।
টেকনিক্যাল ডিরেক্টর শ্রীধরন শ্রীরামও শান্তর পক্ষে মত দিয়েছেন। বলেন, আমি এখন পারফরম্যান্স খুঁজছি না। আমি আসলে যেটা খুঁজছি, সেটা হলো ইমপ্যাক্ট। বাংলাদেশ যেমন দল, তাতে ৭-৮ জন ইমপ্যাক্ট ফেলতে পারলেও জিতে যাবে। তো ১৭-১৮ বলে ২৫-৩০ রান করতে পারলে সেটিই আমার জন্য ইমপ্যাক্ট। শান্তকে ইমপ্যাক্ট খেলোয়াড় মনে হওয়ার কারণেই মূলত বিশ্বকাপে নেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমি মনে করি শান্ত অনেক ভালো খেলোয়াড়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য প্রয়োজনীয় টেম্পারমেন্ট ওর আছে। অল্পবিস্তর তার ব্যাটিং যা দেখেছি; আমার মনে হয়েছে ওর সেই টেম্পারমেন্ট আছে।
এদিকে, বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মিরপুরে গণমাধ্যমকে এ প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেন, আমাদের দেশে কমন একটা বিষয় হচ্ছে ডান-বাম ভারসাম্য রাখা। তামিম ইকবাল যেহেতু আর টি-টোয়েন্টি খেলছে না, তাই আমাদের কাছে লেফটহ্যান্ড অপশন আছে দুটা-সৌম্য আর শান্ত। এখন এই দুজনের মধ্যে যদি একজনকে খেলাতে হয়, তাহলে পারফরম্যান্সের বিচারে সবাই বলবে সৌম্যর কথা। কিন্তু সে আমাদের টিমের সঙ্গে নেই অনেকদিন।
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের আগে দুঃসংবাদ পেলেন সাকিব
তিনি আরও বলন, সে আমাদের তত্ত্বাবধানে নাই অনেকদিন এটা যেমন একটা বিষয়, তেমনি কন্ডিশনও বড় ফ্যাক্টর। নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া কিংবা সাউথ আফ্রিকার মতো কন্ডিশনে সেখানকার বোলারদের পেস করার অভিজ্ঞতা আছে শান্তর। অভিজ্ঞতার কারণেই তাকে দলের সঙ্গে রাখা হয়েছে।
পাপন বলেন, আমাদের এখানে যারা এখন খেলছে, তারা সেখানকার কন্ডিশনে পারবে কি না সেটাও তো জানি না। যদি মনে হয় তাদের অসুবিধা হচ্ছে, তখন একটা অপশন বা ব্যাকআপ থাকবে।
বিসিবি সভাপতির কথাতেই স্পষ্ট, দলের সঙ্গে থাকলেও একাদশে জায়গা হচ্ছে না শান্তর। তাকে রাখা হয়েছে ব্যাকআপ হিসেবে।
]]>




