খেলা

স্পিনাররা কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারছেন না

<![CDATA[

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভের ম্যাচগুলোতে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারছেন না স্পিনাররা। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রায় প্রতি ম্যাচেই ব্যাটারদের টার্গেটে পরিণত হচ্ছেন তারা। শ্রীলঙ্কার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা থেকে শুরু করে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডাম জাম্পা, প্রথম ম্যাচে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে ব্যর্থ বাংলাদেশী স্পিনাররাও। মের্লবোর্ন-অ্যাডিলেডের মাঠগুলোতে ম্যাচের ভাগ্য পরিবর্তন হচ্ছে পেসারদের হাতে।

অস্ট্রেলিয়ার মাঠে রাজত্বটা হবে পেসারদের- ধ্রুব সত্যটা মেনেই এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে দেশটিতে পাড়ি দিয়েছিল স্পিনাররা। যদিও বিগ ব্যাশের সবশেষ মৌসুমে রশিদ খানের উজ্জ্বল পারফরম্যান্স একটু হলেও সম্ভাবনার দুয়ার খুলে রেখেছিল। ১১তম আসরে অ্যাডিলেইড স্ট্রাইকার্সের হয়ে ১১ ম্যাচে ২০ উইকেট আফগান লেগির নামের পাশে। ওভারপ্রতি রান খরচ ছয়ের খানিক বেশি। অবশ্য রশিদ বাদে উইকেট শিকারে সেরা দশে ছিলেন না আর কোনো স্পিনার।

আরও পড়ুন: স্টইনিসের ঝোড়ো ফিফটিতে উড়ে গেল শ্রীলঙ্কা

অস্ট্রেলিয়ার মাঠগুলোতে বাড়তি টার্ন পাওয়া যায় না। পিচগুলো থেকে বাড়তি বাউন্স সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে স্পিনারদের ক্ষেত্রে। তবে চলতি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভ পর্বে সে টোটকাও কাজে আসছে না ধীরগতির বোলারদের।

সুপার টুয়েলভে এখন পর্যন্ত মাঠে গড়ানো লড়াইগুলোর প্রায় সব কটিতেই ব্যাটারদের রোষানলে পড়তে হয়েছে স্পিনারদের। সবশেষ আসরে অজিদের বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক অ্যাডাম জাম্পা খরুচে বোলিং করেছেন এবারের আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে। ৪ ওভারে ৩৯ রান খরচ করে বাদ পড়েছেন দ্বিতীয় ম্যাচে।

আফগানদের বিপক্ষে ব্যর্থ ছিলেন আদিল রশিদ। ইংলিশ একাদশে থাকা একমাত্র এই স্পিনার দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান খরচ করেন। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচেও টার্গেট করা হয় স্পিনারদের। হোবার্টে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচেও ফুঁটে ওঠে একই চিত্র। সাকিবের খরুচে বোলিংয়ের দিনে কাজে লাগানো যায়নি মোসাদ্দেককেও। একজনের ওভারপ্রতি খরচ ৮, অন্যজনের ১৪। পেস ইউনিটে গতির দাপটে লাইমলাইটে ছিলেন হাসান মাহমুদ ও তাসকিন আহমেদ।

আরও পড়ুন: বিশ্বকাপে ফের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ?

স্বাগতিকদের বিপক্ষে হাসারাঙ্গার কপালটাই সবচেয়ে বেশি পুড়েছে। টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ের তৃতীয় সেরা এই বোলার, ৪ ওভারে ৫৩ রান খরচ করেন। লঙ্কানদের হয়ে এই ফরম্যাটে যা কিনা সবচেয়ে বাজে বোলিংয়ের নজির। স্পিনারদের এমন অসহায়ত্ব চলতে থাকলে পেস আক্রমণে আরও বেশি নির্ভরশীল হতে হবে প্রতিটি দলকে।

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!