স্বাগতিক দেশ হিসেবে সবচেয়ে বাজে শুরু কাতারের
<![CDATA[
‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’-এর ৯২ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো উদ্বোধনী ম্যাচে হেরেছে স্বাগতিক কোনো দেশ। ফিফা বিশ্বকাপের ২২তম আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে কাতারকে ২-০ গোলে হারিয়ে শুভসূচনা করেছে ইকুয়েডর। তবে শুরুটা যে এতটা খারাপ হবে, তা হয়তো কাতারও কল্পনা করতে পারেনি।
আল-বায়ত স্টেডিয়ামে রোববার (২০ নভেম্বর) আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে ইকুয়েডরের হয়ে জোড়া গোল করেন এনার ভ্যালেন্সিয়া। অন্যদিকে ইকুয়েডরের জাল ভেদ করা দূরের কথা, লক্ষ্যে একটি শটও মারতে পারেননি কাতারের খেলোয়াড়রা।
আরও পড়ুন: ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবার মুখোমুখি ইংল্যান্ড-ইরান
এদিকে মাঠে বল দখলের লড়াইয়ে কম যায়নি কাতার। পুরো ম্যাচে ৪৮ শতাংশের বেশি বল দখলে ছিল তাদের। বিশ্বকাপ আয়োজন করে স্বাগতিক দেশ হিসেবে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছে কাতার। কিন্তু স্বাগতিক দেশের ইতিহাস ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। বিশ্বকাপ ইতিহাসে স্বাগতিক হিসেবে প্রথম ম্যাচ হেরেছে কাতার।
এদিকে পুরো ম্যাচে রেফারি মোট ছয়বার হলুদ কার্ড দেখান দুই দলের খেলোয়াড়দের, যা কিনা ১৯৯৪ বিশ্বকাপের বলিভিয়া ও জার্মানির উদ্বোধনী ম্যাচের ৭টি হলুদ কার্ডের পর সর্বোচ্চ। কাতারের এই হারে স্বাগতিক দেশের প্রথম ম্যাচে অপরাজিত থাকার ধারা ক্ষুণ্ন হলো। এর আগের ২২টি ম্যাচে স্বাগতিকরা ১৬টি জয় এবং ৬টি ড্র করেছিল তাদের প্রথম ম্যাচে। শেষবার স্বাগতিক দল হিসেবে উদ্বোধনী ম্যাচে জয় পেতে ব্যর্থ হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০১০ সালের বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা মেক্সিকোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছিল।
আরও পড়ুন: ৯২ বছরের ইতিহাস পাল্টে ইকুয়েডরের জয়
এদিকে কাতারে বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে শুরু থেকেই ছিল অনেক বিতর্ক। পশ্চিমাদের সব সমালোচনা উড়িয়ে দিয়ে সফল আয়োজনের সব প্রস্তুতি শেষ করে দেশটি। অনেকের মতে, অনেক সাদামাটা একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়েছে এবারের বিশ্বকাপে। তবে সেই সাদামাটা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও ছিলেন বিটিএস, ফ্রিম্যান আর নস্টালজিয়ার মতো সেলিব্রেটিরা।
]]>




