স্বাভাবিক হচ্ছে খেরসন, জেলেনস্কির নতুন অভিযোগ
<![CDATA[
ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় খেরসন শহর থেকে রুশ সেনা প্রত্যাহারের পর স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে সেখানকার পরিস্থিতি। শনিবার (১২ নভেম্বর) অঞ্চলটিতে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী প্রবেশের পর তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রুশ সেনাদের চলে যাওয়াকে নিজেদের বিজয় হিসেবে দেখছেন তারা। তবে এর মধ্যেই রাশিয়ার বিরুদ্ধে খেরসনের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অবকাঠামো ধ্বংসের অভিযোগ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি
খেরসন শহরটি নিজেদের দখলে নেয়ার সময় দিকনির্দেশনাকারী বোর্ডগুলো নষ্ট করে দেয় রুশ সেনারা। তাই ইউক্রেনীয় সেনাদের চলাচলের সুবিধায় হাতে লিখে দিকনির্দেশনা দেন স্থানীয়রা। রুশ সেনা প্রত্যাহারকে নিজেদের বিজয় হিসেবে দেখছে ইউক্রেন। তাই যে যার মতো করছেন বিজয় উদ্যাপন।
পতাকা হাতে রাজপথে ঢল নামে বিভিন্ন বয়সী মানুষের। রুশবিরোধী স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ। পাশাপাশি ইউক্রেনের নাগরিকদের অভাবনীয় সমর্থন পেয়ে তাদের ধন্যবাদ জানান সামরিক সদস্যরা।
সামরিক কর্মকর্তা আন্দ্রি কোভাল চুক বলেন, আপনাদের ধৈর্যের জন্য ধন্যবাদ। আপনাদের সমর্থন ছাড়া আমরা এখানে কখনোই আসতে পারতাম না। ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর ওপর আপনারা যে আস্থা রেখেছেন, তাতে ভবিষ্যতে আমরা অবশ্যই ভালো কিছু নিয়ে আসব।
আরও পড়ুন: ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ /খেরসনের ৭ গুরুত্বপূর্ণ সেতু ধ্বংস
এদিকে রুশ বাহিনী খেরসন ছাড়ার আগে শহরটির যোগাযোগ ব্যবস্থা, পানি ও বিদ্যুতের মতো গুরত্বপূর্ণ কিছু স্থাপনার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এমনকি শহরটি থেকে কয়েক হাজার গোলাবারুদ উদ্ধার করার কথা জানান তিনি। তবে দ্রুত এ পরিস্থিতি সামলে নেয়ার পাশাপাশি দেশটির সেনা সদস্যদের সাফল্যে ধন্যবাদ জানান জেলেনস্কি।
এদিকে সাগর থেকে রুশ হামলা মোকাবিলায় এবার নৌ ড্রোন সংগ্রহে নজর দিচ্ছে ইউক্রেন। কৃষ্ণসাগরে যুদ্ধজাহাজ থেকে উৎক্ষেপণ করা রুশ ক্ষেপণাস্ত্র থেকে আত্মরক্ষায় একটি নৌ ড্রোন বহর তৈরির ওপর জোর দিচ্ছেন জেলেনস্কি। শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
]]>




