বিনোদন

হ্যারি-মেগানের বিয়ের পর ভেঙে পড়েছিলেন চার্লস

<![CDATA[

কেটি নিকোলের লেখা ‘দ্যা নিউ রয়্যালস’ শীর্ষক এক বইতে রাজ পরিবারের ভিতরের নানান তথ্যের দাবি করা হচ্ছে। সেখানে বলা হচ্ছে, মেগানের সঙ্গে হ্যারির সম্পর্ক নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিলেন চার্লস। ছেলের সঙ্গে এই নিয়ে তর্কও হয়। এরপর তিনি ভেবেছিলেন, পরিস্থিতি হয়ত একদিন স্বাভাবিক হবে। খবর হিন্দুস্তান টাইমস।

মেগান মার্কেলের সঙ্গে ছেলে হ্যারির সম্পর্কের কথা জানতে পেরে প্রিন্স চার্লস ভেঙে পড়েছিলেন। মেগানকে ঘিরে চার্লসের ক্ষোভের নিশানায় পড়ে যান প্রিন্স হ্যারি।

নিকোলে তার বই এ বলছেন, হ্যারির বিয়ের কয়েক বছর পর দুই জনের মধ্যে সম্পর্ক ঠিক হতে থাকে। আগের থেকে অনেক ভালো হয় তাদের সম্পর্ক। রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুর পর প্রিন্স হ্যারি ও মেগানকেও দেখা যায় গোটা পরিবারের সঙ্গে হাঁটতে। ফলে অনেকেই এটিকে সম্পর্কের উন্নতি হিসেবে দেখেছেন।

আরও পড়ুন: রানির প্রিয় ঘোড়াগুলো বেঁচে দিচ্ছেন রাজা চার্লস

২০২০ সালে রাজ পরিবারের ‘সিনিয়র রয়্যাল’ ট্যাগ সরিয়ে দেন হ্যারি ও মেগান। এ কারণে প্রিন্স হ্যারির সঙ্গে তাঁর বাবা রাজা তৃতীয় চার্লসের সম্পর্ক অবনতির দিকে গড়াতে থাকে। পরবর্তীকালে হ্যারি ও মেগান জানান, প্রিন্স চার্লস তাঁদের এই বিয়ের পর আর হ্যারির ফোন ধরতেন না এবং রাজ কোষাগার থেকে তাদের পাওয়া অর্থ নেয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেন।

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুর পর বড় ছেলে প্রিন্স উইলিয়ামকে প্রিন্স অব ওয়েলস ঘোষণা করেন চার্লস। সেসময় তিনি বলেছিলেন, উইলিয়ামকে প্রিন্স অব ওয়েলস হিসেবে দায়িত্ব দিতে পেরে তিনি গর্ববোধ করছেন। রাজপদবি ত্যাগ করে বিদেশে বসবাস করছেন ছোট ছেলে প্রিন্স হ্যারি ও তাঁর স্ত্রী মেগান। তাঁদের প্রতিও ভালোবাসা জানিয়েছেন চার্লস।

আরও পড়ুন: রাজা চার্লসকে বাকিংহাম প্রাসাদে নিতে খরচ ৪৩০০ কোটি টাকা!

২০১৬ সাল থেকে হ্যারি ও মেগান প্রেম করার পর তাদের বিয়ে হয় ২০১৮ সালের ১৯ মে। উইন্ডসর ক্যাসেলের সেন্ট জর্জেস চ্যাপেলে তাঁদের বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also
Close
Back to top button
error: Content is protected !!