৩৩ মাস পর বড়পুকুরিয়া খনিতে করোনার বিধিনিষেধ প্রত্যাহার
<![CDATA[
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে দীর্ঘ ৩৩ মাস পর করোনা বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছে খনির চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এক্সএমসি-সিএমসি কনসোর্টিয়াম।
শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) গভীর রাতে করোনা বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার ঘোষণা দেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ফলে রোববার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকে শ্রমিক-কর্মচারীরা খনির প্রধান ফটক দিয়ে বিনা বাধায় চলাচল করতে পারছেন।
বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. সাইফুল ইসলাম সরকার ও খনি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: বড় তেলের খনি আবিষ্কার তুরস্কের
উল্লেখ্য, বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ দেখা দেয়ায় খনির উৎপাদন, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এক্সএমসি-সিএমসি কনসোর্টিয়াম ২০২০ সালের ২৬ মার্চ খনি লকডাউন ঘোষণা করে। এর ফলে এক্সএমসি-সিএমসি অধীনে কর্মরত ১ হাজার ১৪৭ জন বাংলাদেশি শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শ্রমিকদের বেতন-ভাতাও বন্ধ করে দেয়। এ অবস্থায় কাজে যোগদান ও বকেয়া বেতন-ভাতার দাবিতে খনি শ্রমিক ও আউটসোর্স কর্মচারীরা বিক্ষোভ সমাবেশে, সড়ক অবরোধের মাধ্যমে আন্দোলনে যান।
পরে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে এক্সএমসি-সিএমসি পর্যায়ক্রমে ২০২০ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে প্রায় সাড়ে চারশ’র মতো শ্রমিক-কর্মচারীদের কাজে যোগদান করে। তবে খনি কম্পাউন্ডের ভেতরে সার্বক্ষণিক এসব শ্রমিককে অবস্থান করতে হয়। খনি কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতায় এত দিন ধরে শ্রমিক-কর্মচারীরা অমানবিক জীবনযাপন করে আসছিল।
]]>




