বাংলাদেশ

৪৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরায় বাজিমাত করবে আইফোন ফোর্টিন প্রো ও প্রো ম্যাক্স

<![CDATA[

ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাপল পার্কের স্টিভ জবস থিয়েটারে ‘ফারআউট’ ইভেন্টে টেক জায়ান্ট অ্যাপলের নতুন মডেলের বিভিন্ন প্রযুক্তি পণ্যের সঙ্গে উন্মোচিত হয় আইফোন সিরিজের সবশেষ সংস্করণ আইফোন ফোর্টিন প্রো ও আইফোন ফোর্টিন প্রো ম্যাক্স।

ফোর্টিন প্রো ও প্রো ম্যাক্স মডেলে এমন কিছু সবশেষ প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের অনন্য অভিজ্ঞতা দেবে। ক্র্যাশ ডিটেকশন, স্যাটেলাইট মেসেজ সার্ভিসসহ প্রো ও প্রো ম্যাক্সের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো উভয় মডেলেই থাকা ৪৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা।

আইফোন ফোর্টিন প্রোর ডিসপ্লে ৬ দশমিক ১ ইঞ্চি। আর প্রো ম্যাক্স মডেলে রয়েছে ৬ দশমিক ৭ ইঞ্চির ডিসপ্লে। আগের মডেলের আইফোনগুলোর মতো স্ক্রিনের ওপর থাকা নচ থাকছে না প্রো ও প্রো ম্যাক্সে। এর বদলে সেখানে থাকছে ক্যাপসুলের পিল শেপের একটি অংশ। তবে এই পিলশেপ অংশটুকু আগের নচ-এর থেকে অনেক ছোট।

উভয় মডেলেই থাকছে অ্যাপলের নতুন এ সিক্সটিন বায়োনিক চিপ। এ সিক্সটিন চিপের সুবাদে প্রো ও প্রো ম্যাক্সে আরও অনেক বেশি গতি পাবেন ব্যবহারকারীরা।

আরও ‍পড়ুন: যেসব প্রত্যাশা পূরণ করবে আইফোন ফোর্টিন ও ফোর্টিন প্লাস

আইফোন ফোর্টিন প্রো-তে থাকছে ৪৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। আগের আইফোনগুলোতে যেখানে ১২ পিক্সেলের বেশি ক্যামেরা ছিল না, সেখানে এক লাফে ৪৮ মেগাপিক্সেল, প্রো ও প্রো ম্যাক্সকে প্রতিদ্বন্দ্বীদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে রাখবে।

পাশাপাশি ক্যামেরায় ধারণ করা ছবি ও ভিডিওর মান উন্নত রাখতে উভয় মডেলে ফটোনিক ইঞ্জিন নামের বিশেষ ইমেজ প্রসেসিং প্রযুক্তি যোগ করা হয়েছে। এর ফলে স্বল্প আলোতেও ফোর্টিন প্রো ও প্রো ম্যাক্সে তোলা ছবির কোয়ালিটি আইফোন থার্টিন প্রোর থেকে দ্বিগুণেরও বেশি হবে। পাশাপাশি ভিডিও সিনেম্যাটিক মোড থাকছে।

এ ছাড়া ভিডিওর মান উন্নত করতে উভয় প্রো মডেলে অ্যাকশন মোড নামের নতুন ভিডিও ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন প্রযুক্তি থাকছে।

প্রো ও প্রো ম্যাক্সে ব্যাটারি লাইফও অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে। এক চার্জে ২৯ ঘণ্টা ভিডিও প্লেব্যাকের সমান ব্যাটারি ব্যাকআপ পাওয়া যাবে।

উভয় মডেলেই স্যাটেলাইটের সাহায্যে জরুরি এসএমএস করারও সুযোগ থাকছে। এর ফলে ওয়াইফাই এবং মোবাইল নেটওয়ার্কের মধ্যে না থাকলেও উদ্ধারকারী কিংবা প্রিয়জনদের নিজেদের অবস্থানের বার্তা পাঠানো যাবে।

আরও পড়ুন: নতুন যেসব ফিচার এনেছে আইফোন ১৪

মডেল দুটি ক্র্যাশ ডিটেকশন পদ্ধতিও থাকছে। ব্যবহারকারী সড়ক দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই হাতের ডিভাইস বিষয়টি জানতে পারবে। উদ্ধারকারীদের কাছে জরুরি বার্তা পাঠাতে পারবে।

আইফোন ফোর্টিন প্রো এবং প্রো ম্যাক্স উভয় মডেলেই ১২৮, ২৫৬, ৫১২ এবং ওয়ান টেরাবাইট স্টোরেজ-এর আলাদা ৪টি সংস্করণ থাকছে।

এর মধ্যে ১২৮ জিবির আইফোন প্রোর দাম পড়বে ৯৯৯ ডলার  এবং প্রো ম্যাক্স-এর দাম পড়বে ১০৯৯ ডলার। এ ছাড়া ২৫৬ জিবির প্রো ১০৯৯ এবং প্রো ম্যাক্স মিলবে ১১৯৯ ডলারে। ৫১২ জিবির প্রো ১২৯৯ এবং প্রো ম্যাক্স বিক্রি হবে ১৩৯৯ ডলারে এবং ওয়ান টেরাবাইটের প্রো-র দাম পড়বে ১৪৯৯ ডলার এবং প্রো ম্যাক্স-এর দাম হবে ১৫৯৯ ডলার। আইফোন ফোর্টিন প্রো ও প্রো ম্যাক্স স্পেস ব্ল্যাক, সিলভার, গোল্ড এবং ডিপ পারপল–এ ৪টি রঙে পাওয়া যাবে।

উভয় মডেলের প্রি অর্ডার ৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে, যা ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে গ্রাহকরা হাতে পাবেন।

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!