খেলা

৫৪টি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার দাবি ইউক্রেনের

<![CDATA[

ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর এযাবৎকালের সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) ইউক্রেনজুড়ে একসঙ্গে ১২০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে রুশ বাহিনী। ইউক্রেনের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রাশিয়ার ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ৫৪টি ভূপাতিত করেছে। খবর রয়টার্সের।

ইউক্রেনের কমান্ডার-ইন-চিফ জেনারেল ভ্যালেরি জালুঝনি বলেছেন, প্রাথমিক তথ্য অনুসারে রাশিয়া ৬৯টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে বলে জানা গেছে। শত্রুদের ছোড়া ৫৪টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে। এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের এক সহকারী মিখাইলো পডোলিয়াক বলেছিলেন, রাশিয়া অন্তত ১২০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।

ইউক্রেনীয় বিমানবাহিনী জানিয়েছে, স্থল ও সমুদ্র থেকে ইউক্রেনের বিভিন্ন দিকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে রাশিয়া। বৃহস্পতিবারের হামলায় রাশিয়া কামিকাজি ড্রোনও ব্যবহার করেছে বলে দাবি করেছে কিয়েভ। এতে ইউক্রেনের সব অঞ্চলে বিমান হামলার সতর্কতা জারি করা হয়।

ইউক্রেনের বিমানবাহিনী বলছে, এবারের হামলা একেবারেই ভিন্ন। একযোগে স্থল ও সমুদ্র থেকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এছাড়া ইরানের তৈরি কামিকাজি ড্রোন দিয়েও মিসাইল হামলার অভিযোগ করেছে কিয়েভ। রুশ অভিযান শুরুর পর এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় এ হামলা থেকে রক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

আরও পড়ুন: ইউক্রেনে এযাবৎকালের সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা রাশিয়ার

এদিকে যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়া আলোচনায় বসতে প্রস্তুত আছে জানালেও গত নভেম্বরে জি-২০ দেশগুলোর নেতাদের সামনে জেলেনস্কির দেয়া ১০ দফা শান্তি প্রস্তাব মানা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে মস্কো। ওই প্রস্তাবে ইউক্রেন থেকে রুশ সেনা প্রত্যাহার, অধিকৃত চারটি অঞ্চল ফিরিয়ে দেয়া এবং খাদ্য, জ্বালানি, পারমাণবিক ও যুদ্ধবন্দিদের নিরাপত্তার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল। রাশিয়া বলছে, অধিভুক্ত অঞ্চলগুলো এখনকার বাস্তবতা। এটা মেনে নিয়েই আলোচনায় বসতে হবে ইউক্রেনকে।

আরও পড়ুন: শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বিবেকহীন বর্বরতা: ইউক্রেন

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের নির্দেশ দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। চলমান সামরিক অভিযানে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। ইউক্রেনের খারকিভ, খেরসন, ডনবাস, জাপোরিঝিয়াসহ অনেক শহর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!