খেলা

ভোগান্তির আরেক নাম গাজীপুর বিআরটিএ অফিস

<![CDATA[

ভোগান্তির আরেক নাম গাজীপুর বিআরটিএ অফিস। দালালের দৌরাত্ম্য আর আটকে থাকা লাইসেন্স না পেয়ে বিপাকে পড়ছেন আবেদনকারীরা। ভুক্তভোগীরা বলছেন, পেশাদার লাইসেন্সের পূর্বশর্ত ডোপ টেস্টেও লাগছে অতিরিক্ত টাকা ও বাড়তি সময়। আর কর্তৃপক্ষ বলছে, ভোগান্তি কমাতে নেয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।

ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় পাস করেছেন গোপালগঞ্জের লিটন মিয়া। সে সময় নেয়া হয়েছে আঙুলের ছাপ ও তুলেছেন ছবি। এরপর দুই বছর কেটে গেলেও লাইসেন্স হাতে পাননি তিনি। উল্টো ৬ মাস পরপর রসিদের মেয়াদ পাল্টাচ্ছে বিআরটিএ।

পাঁচ বছরমেয়াদি এমন লাইসেন্স পেতে গাজীপুরের বিআরটিএ অফিসে দুই থেকে তিন বছর ধরে ধরনা দিচ্ছেন এমন অনেকেই। কারো কারো চাকরি কিংবা বিদেশেযাত্রা থমকে গেছে লাইসেন্স না পেয়ে। এ ছাড়া হয়রানি রয়েছে ডোপ স্টেট ও সার্ভার জটিলতায় লাইসেন্স নবায়নেও। অন্যদিকে অভিযোগ উঠেছে, দালালের মাধ্যমে আবেদন জমা পড়লে ভোগান্তি কমে। ।

আরও পড়ুন: জামালপুর বাইপাস সড়কে বড় বড় গর্ত, ভোগান্তি চরমে

তবে গাজীপুর বিআরটিএ সার্কেলের সহকারী পরিচালক মো. আবু নাঈম বলেন, এরই মধ্যে পুরনো লাইসেন্স বিতরণ শুরু হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই কমে যাবে ভোগান্তি।

পেশাদার ও অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে গাজীপুর বিআরটিএ সার্কেলে সপ্তাহে দুই দিন প্রায় ১২০ জন করে আবেদনকারী পরীক্ষায় অংশ নেন।

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!