যত বাধাই আসুক শনিবারের সমাবেশ সফল করবে বিএনপি
<![CDATA[
বিভাগীয় সমাবেশের ঠিক আগের দিন তিন চাকার অবৈধ যান চলাচল ও পুলিশি হয়রানি বন্ধের দাবিতে রংপুর জেলা মোটর মালিক সমিতির টানা ৩৬ ঘণ্টার পরিবহন ধর্মঘটে বিপাকে পড়েছে দূরদূরান্ত থেকে আসা বিএনপির নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) নগরীর সিও বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিএনপির রংপুরের বিভাগীয় সমাবেশে যোগ দিতে দুদিন আগে থেকেই দূরদূরান্ত থেকে এসেছেন দলটির ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড়ের নেতাকর্মীরা।
বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, বিএনপির এই বিভাগীয় সমাবেশকে বাধাগ্রস্ত করতে সরকারের ইন্ধনেই পরিবহন ধর্মঘট ডেকেছে জেলা মোটর মালিক সমিতি। তবে যত বাধাই আসুক নেতাকর্মীরা শনিবারের সমাবেশ সফল করতে বিভিন্ন উপায়ে রংপুরে জমায়েত হচ্ছেন। অতি দ্রুত মোটর মালিক সমিতির পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান নেতাকর্মীরা।
ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আল মামুন বলেন, যতই বাধা দেয়ার চেষ্টা করুক সরকার বিএনপির এই গণসমাবেশকে কোনোক্রমেই দাবিয়ে রাখতে পারবে না। আমরা আগামীকাল দেখাব বিএনপি জনগণের সঙ্গে কতটা সম্পৃক্ত।
আরও পড়ুন: রংপুরে পরিবহন ধর্মঘটে সীমাহীন দুর্ভোগ
ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি সভাপতি তৈমুর রহমান বলেন, পরিবহন ধর্মঘট দিয়ে আমাদের বাধাগ্রস্ত করছে সরকার। এর আগেও বেশ কয়েকটি সমাবেশকে কেন্দ্র করে পরিবহন ধর্মঘট দিয়ে বাধা সৃষ্টি করেছিল কিন্তু তারা সফল হতে পারেনি। সারা দেশে যে বিভাগীয় সমাবেশ করছে এগুলো সম্পন্ন করে আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকাই মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে সরকারের পতন নিশ্চিত করা হবে।
এদিকে পরিবহন ধর্মঘট উপেক্ষা করে বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে সমাবেশের একদিন আগেই রংপুরের কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে এসে সমবেত হতে শুরু করেছেন দলের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার বিকেলে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে তারা সমাবেশস্থলে এসে উপস্থিত হন।
আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে অলিখিত পরিবহন ধর্মঘটে ভোগান্তি বেড়েছে যাত্রীদের
এর আগে রংপুরে শনিবারের (২৯ অক্টোবর) সমাবেশের মাঠে সংবাদ সম্মেলন করেছে বিএনপি।
এতে বক্তব্য দিতে গিয়ে বিএনপির দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ বলেন, রংপুরে বিএনপির সমাবেশ ঠেকাতে পরিবহন ধর্মঘট ডেকে পুরো বিভাগকে অবরুদ্ধ করে ফেলেছে সরকার।
এদিকে আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, বিএনপির এ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। কেনো পরিবহন ধর্মঘট ডেকেছে তা তারা জানেন না। পরিবহন ধর্মঘটের সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
]]>




