জয়পুরহাটে সাত দিনব্যাপী বিনা মূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা
<![CDATA[
জয়পুরহাটে ১০ হাজার মানুষে পাচ্ছেন বিনা মূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা। শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) সকাল থেকে শহরের রামদেও বাজলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ ভরে যায় জয়পুরহাটসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা হাজারো চোখের রোগীর পদচারণায়।
আর তাদের সুশৃঙ্খল পরিবেশে চিকিৎসাদানে নিরলসভাবে সহায়তা করতে কাজ করেন স্থানীয় স্কাউট ও সুদূর আরব আমিরাত থেকে আসা আল বাশার ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবীরা।
এদিকে সকাল সাড়ে ৯টায় হেলিকপ্টারে প্রথমে জয়পুরহাট শহরের সিমেন্ট ফ্যাক্টরি মাঠে পৌঁছে চক্ষুশিবির পরিদর্শনে আসেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলি আল হামুদি। এ সময় আয়োজক কর্তৃপক্ষ তাকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান কর। পরে তিনি চক্ষু শিবির পরিদর্শন করেন।
সাত দিনব্যাপী বিনা মূল্যের এই ক্যাম্পেইনে সেবা পেয়ে একদিকে খুশি বিভিন্ন স্থান থেকে আসা চোখের রোগীরা। অন্যদিকে মানবিক এই কাজে সেবা করতে পেরে অনেকটাই উচ্ছ্বসিত আরব আমিরাতের মেডিকেল টিমের সদস্য ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা।
আরও পড়ুন: চোখ ওঠা সম্পর্কে অজানা যত তথ্য জানালেন চিকিৎসক!
জয়পুরহাট সদরের আমদই ইউনিয়নের রাংতা গ্রাম থেকে চিকিৎসা নিতে আসা ষাটোর্ধ্ব নারী কমলা বেগম বলেন, দীর্ঘদিন থেকে চোখের সমস্যা নিয়ে ভুগছিলাম। মাইকে প্রচার শুনে আমার ছেলে এখানে নিয়ে এসেছে। ডাক্তার খুব ভালো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বলে দিয়েছে, অপারেশন করতে হবে। তবে সম্পূর্ণ বিনা পয়সায়।
শুধু কমলা বেগমই নন, বিনা মূল্যের চিকিৎসা পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন জয়পুরহাটসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা শতাধিক চোখের রোগী।
আল বাশার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ও নূর দুবাই ফাউন্ডেশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বিনা মূল্যের এই চক্ষু শিবিরের আয়োজন করে স্থানীয় মক্কা চক্ষু হাসপাতাল।
আরও পড়ুন: করোনা সারলেও বাড়ছে অন্য রোগের ঝুঁকি
এই সংস্থার ক্যাম্প ম্যানেজার ওবায়দুজ্জামান জানান, এই শিবির থেকে সম্পূর্ণ বিনা পয়সায় দুই মাসের থাকা ও খাওয়াসহ চোখের ছানি অপারেশন, চশমা প্রদান এবং সব ধরনের ওষুধ দেয়া হচ্ছে।
এই শিবিরে ৮০ জন মেডিকেল টিমের সদস্য ও শতাধিক স্কাউট স্বেচ্ছাসেবীর সহায়তায় ১৫ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক চক্ষুসেবা প্রদান করছেন। ২৮ অক্টোবর শুরু হওয়া এই চক্ষু শিবির আগামী ৩ নভেম্বর শেষ হবে।
]]>




