নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে ইমরানকে বাঁচিয়ে 'হিরো' এই যুবক
<![CDATA[
পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ওপর নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ইমরানের দল পিটিআইয়ের এক রাজনৈতিক কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া ইমরান ও তার দুই সহযোগীসহ আরও ১০ জন আহত হয়েছেন।
পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে, হামলাকারী যেভাবে গুলি চালায় তাতে ইমরান খানের নিশ্চিত মৃত্যু হতে পারতো। তবে এক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায় ৩০ বছরের এক যুবক। হামলাকারী যখন পিস্তল থেকে গুলি চালান ঠিক সে সময়েই তার পেছনে ছিলেন ওই যুবক।
হামলাকারী যে মুুহূর্তে গুলি চালান ঠিক তখনই পিস্তল ধরা হাতটি টেনে নেন ওই যুবক। এতে হামলাকারী পরপর ছয়টি গুলি ছুড়লেও ইমরানের বুকে লাগার বদলে পায়ে লাগে। এতে মারাত্মক আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান ইমরান। এই দৃশ্য পুরোটি ধরা পড়ে ওই ঘটনাস্থলে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরায়। এতে দেখা গেছে, পরনে লাল-সাদা-নীল একটি টি-শার্ট পরা যুবক বন্দুক হাতে হামলাকারীর হাত নামিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা করছেন।
এদিকে ওই যুবকের এমন সাহসী পদক্ষেপে ইমরান খান বেঁচে যাওয়ার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। পাকিস্তানের নাগরিকরা ওই যুবককে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন। সেই সঙ্গে ওই যুবকের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখছেন ‘‘হ্যাশট্যাগ আওয়ার হিরো’’।
পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে সাহসী ওই যুবকের নাম এবং পরিচয় জানা এখনও সম্ভব হয়নি।
আরও পড়ুন: ইমরানকে হত্যাচেষ্টার কারণ জানালেন হামলাকারী
হামলাকারী যুবক তাৎক্ষণিকভাবে ইমরানকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, ওই হামলাকারী বলছেন, লোকজন ইমরান খানকে নিয়ে বাজে কথা বলে ভুল বুঝিয়েছে। এই কারণে ইমরানকে হত্যা করতে চেয়েছিলাম।
ওই যুবক আরও বলেন, লংমার্চ লাহোর ছেড়ে যাওয়ার পর থেকেই আমি তাকে হত্যার পরিকল্পনা করি। তাকে হত্যা করার জন্য আমি সবটুকু চেষ্টা চালিয়েছি। অপর একজন হামলাকারীকে পুলিশ হত্যার দাবি করলেও গ্রেফতার ওই ব্যক্তি দাবি করেছেন, তার সঙ্গে অন্য কেউ ছিল না। তিনি একাই ইমরানকে হত্যা করতে চেয়েছিলেন।
পাকিস্তানে আগাম নির্বাচনের দাবিতে লাহোর থেকে রাজধানী ইসলামাবাদের উদ্দেশে লংমার্চ শুরু করেছেন ইমরান খান। লংমার্চে কনটেইনার ব্যবহার করে বিশেষ গাড়ি তৈরি করা হয়। এই গাড়িতে যাত্রা করেন ইমরান খান।
]]>




