ক্ষতিপূরণ দেয়ার আলোচনায় বসতে রাজি ধনী দেশগুলো
<![CDATA[
মিশরে শুরু হলো ২৭তম জলবায়ু সম্মেলন কপ টুয়েন্টি সেভেন। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিষয়ে আলোচনায় রাজি হয়েছেন ধনী রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা। এমনটাই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম। এক দশকের বেশি সময় ধরে এ বিষয়ে আলোচনা করতে নারাজ ছিল ধনী দেশগুলো। তবে সম্মেলন থেকে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার নিশ্চয়তা মিলবে কিনা তা নিয়ে রয়েছে যথেষ্ট শঙ্কা।
‘টুগেদার ফর ইম্প্লিমেন্টেশন’ স্লোগানে মিসরের শারম-আল-শেখে শুরু হয়েছে ২৭তম জলবায়ু সম্মেলন কপ টুয়েন্টি সেভেন। এবারের সম্মেলনে ১৯০টির বেশি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। চলতি বছর বিশ্বব্যাপী বৈশ্বিক উষ্ণতা আরও বেড়েছে। বন্যা, দাবদাহ, দাবানলসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পড়েছেন বিশ্ববাসী।
তাই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই সম্মেলন থেকে শেষ পর্যন্ত কী পদক্ষেপ নেয়া হবে তা জানতে মুখিয়ে আছেন সবাই। ধনী দেশগুলোর অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণ ও পরিবেশবান্ধবহীন কর্মকাণ্ডে বেশি ভুগতে হয় দরিদ্র দেশগুলোকে। কপ টুয়েন্টি সেভেন ঘিরে এসব দেশের প্রত্যাশাও কম নয়। দীর্ঘদিন ধরে উন্নত দেশগুলোর কাছে ক্ষতিপূরণ চেয়ে আসছে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো।
কিন্তু এক দশকের বেশি সময় ধরে এ বিষয়ে আলোচনা করতে নারাজ ছিল ধনী দেশগুলো। ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে কিনা তা সম্মেলনে আলোচনার জন্য অনেক প্রতিনিধি সম্মত হয়েছেন বলে রোববার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানান মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সামেই সুকরি।
আরও পড়ুন: কতটা সফল হবে এবারের জলবায়ু সম্মেলন!
বিষয়টি ইতিবাচক হলেও এবারের সম্মেলন থেকে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার নিশ্চয়তা মিলবে না বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সামেই সুকরি। তবে ২০২৪ সালের দিকে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আশা প্রকাশ করেন তিনি। উদ্বোধনী দিনে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার ক্ষেত্রে চলমান রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে খাদ্য ও জ্বালানি সংকট যেন বাধা না হয়ে দাঁড়ায়, সে বিষয়ে প্রতিনিধি দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে সম্মেলন শুরুর সঙ্গে সঙ্গে আন্দোলনে নেমেছেন তরুণ প্রজন্মের অনেকে। সম্মেলনে অংশ নেয়া প্রতিনিধি দেশগুলোকে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণে আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, আমরা তরুণ প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। জলবায়ু পরিবর্তন আমাদের শারীরিক-মানসিক সুস্থতায় প্রভাব ফেলছে। জলবায়ু সম্মেলনের সময় আন্দোলন করা যৌক্তিক। কেননা, এই সময় বিশ্ব নেতারা বিশ্ববাসীর ভাগ্য নির্ধারণে আলোচনায় বসেন। দুই সপ্তাহব্যাপী চলবে জলবায়ু সম্মেলন কপ টুয়েন্টি সেভেন।
]]>




