সাম্প্রদায়িক উসকানিদাতাদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী
<![CDATA[
পাবলিক পরীক্ষায় সৃজনশীল প্রশ্নের নামে টেনে আনা হচ্ছে সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক প্রসঙ্গ। শিক্ষার্থীদের শেখানো হচ্ছে এক ধর্মাবলম্বী দিয়ে অন্য ধর্মাবলম্বীকে শায়েস্তা করানোর মন্ত্র।
শিক্ষাবিদরা বলছেন, উদ্দেশ্যেমূলকভাবে একটি গোষ্ঠী নতুন প্রজন্মকে সাম্প্রদায়িক বানানোর চেষ্টা করছে। আর প্রশ্ন প্রণয়নের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক উসকানিদাতাদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে জানান শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
আরও পড়ুন: প্রশ্নফাঁসের অপচেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী
পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নে এ ধরনের প্রসঙ্গ আনার বিষয়টিকে উদ্দেশ্যমূলক দাবি করে শিক্ষাবিদ জাফর ইকবাল বলেন, একটি চক্র নতুন প্রজন্মকে সাম্প্রদায়িক বানানোর অপচেষ্টা করছে।
এদিকে সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক প্রসঙ্গ এনে প্রশ্ন প্রণয়নের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিতদের করে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপুমনি।
এ সময় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের প্রশ্নে মুদ্রণজনিত ভুলের কারণে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার ঘটনায় প্রশ্ন প্রণয়নকারীদের আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।
গতকাল রোববার শুরু হয় চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এদিন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্নে আনা হয় সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক প্রসঙ্গ। ১১ নম্বর প্রশ্নে বলা হয়, নেপাল ও গোপাল নামে দুই সনাতন ধর্মাবলম্বীর দুই ভাইয়ের মধ্যে জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। এ অবস্থায় নেপাল তার বড় ভাইকে শায়েস্তা করতে ভিটের এক অংশ এক মুসলমানের কাছে বিক্রি করে। মুসলমান ব্যক্তি নেপালের বাড়ির সামনে গরু কোরবানি দিলে নেপালের মন ভেঙে যায়। পরে সে ভারত চলে যায়। আর কুমিল্লা বোর্ডের প্রশ্নে আনা হয় পীরে কামেল প্রসঙ্গও।
]]>




