জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ডের ষষ্ঠ পর্ব শনিবার
<![CDATA[
দেশ ও মানুষের কল্যাণে যে সব তরুণ উদ্যোক্তা ও সংগঠন কাজ করে যাচ্ছে তাদের উৎসাহ দিতে, ষষ্ঠবারের মতো শনিবার (১২ নভেম্বর) ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’ দিতে যাচ্ছে সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইয়াং বাংলা। প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা এবং সিআরআই চেয়ারপার্সন সজীব ওয়াজেদ জয় তরুণ উদ্যোক্তা ও সংগঠনের হাতে এ বছর পুরস্কার তুলে দেবেন।
এ বছর ৫টি ক্যাটাগরির প্রতিটিতে দুটি করে ১০টি সংগঠনকে এ পুরস্কার দেয়া হবে। এ ছাড়াও দেশের জন্য বিশেষ অবদান রাখায় তিনজনকে দেয়া হবে ‘লাইফ টাইম’ জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড।
এবার সেবামূলক কাজে যুক্ত থাকা ৬০০টিরও বেশি সংগঠন আবেদন করেছে। সেখান থেকে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয় ১০টি সংগঠনকে।
আরও পড়ুন: ৮ নভেম্বর কী ঘটতে যাচ্ছে ভাগ্যে, জেনে নিন রাশিফলে
এরইমধ্যে যাচাই বাছাই শেষ করেছেন আট সদস্যের জুরি বোর্ড। জুরি বোর্ডে ছিলেন স্বনামধন্য গবেষক, সাংবাদিক, উদ্যোক্তা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। ৬ষ্ঠ আসর নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত বিচারকরাও।
মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি মফিদুল হক বলেন, তরুণরা এখন অনেক বেশি বিজ্ঞানমনস্ক হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তিকে তারা আত্মস্থ করে মানুষের জন্য, সমাজের জন্য, শিক্ষার জন্য, বিকাশের জন্য অনেক রকম চিন্তা ভাবনা করছে। তার সঙ্গে বলব, বাংলাদেশের নারী সমাজের মধ্যে যে মুক্তির তাগিদ বা যে প্রয়োজনীয়তা আমরা অনুভব করি সেখানেও অনেক রকম কাজের পরিচয় পাই।
নারী উদ্যোগক্তা স্বর্ণলতা রায় বলেন, ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ডের এই ষষ্ঠ আসরে জুরি বোর্ডে থাকতে পেরে আমি অনেক গর্ববোধ করছি। এটি এমন একটা অ্যাওয়ার্ড সারা বাংলাদেশের যুবাদের তারুণ্যের যে উচ্ছ্বাস আমরা এই অ্যাওয়ার্ডের মধ্যে দেখতে পাই।
চলচ্চিত্র নির্মাতা রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত বলেন, এই জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড নতুনের গল্প বলে। আশার আলো দেখায়। বাংলাদেশের তরুণরাই কিন্তু বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। তারাই কিন্তু হাল ধরবে বাংলাদেশের। এই তরুণরা কী চিন্তা করছে, তাদের বাধাগুলো কী, এবং তা নিজেদের উদ্ভাবনী শক্তি কাজে লাগিয়ে কীভাবে তারা উৎড়াচ্ছে এই গল্পগুলো পাওয়া যায় জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ডের লিস্টগুলো দেখলে। সেগুলো আমাকে বরাবরই অনুপ্রাণিত করেছে।
অভিনেত্রী জয়া আহসান বলেন, বিজ্ঞান, নারী ক্ষমতায়ন ও টেকসই পরিবেশ এসব বিষয় এবার বেশি পেয়েছি। এসব দেখে আমি নিজে খুবই অনুপ্রাণিত হয়েছি। আমিও দেখছি কী হবে। আপনারাও অপেক্ষায় থাকুন।
আরও পড়ুন: চালুর অপেক্ষায় মেট্রোরেল, চলছে সমন্বিত ট্রায়াল
সাংবাদিক পরিমল পালমা বলেন, জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ডের জুরি না হলে বুঝতে পারতাম না বাংলাদেশের কত জায়গায় কত তরুণেরা কত প্রতিশ্রুতিশীল ও স্বার্থহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মানুষের সামাজিক, শিক্ষা, স্বাস্থ্য উন্নয়ন, তথ্য প্রযুক্তি ও গবেষণার ক্ষেত্রে তারা অসাধারণ কাজ করে যাচ্ছে।
মানবিক কাজ ও সমাজে অবদানের জন্য দেশের সেরা যুব সংগঠনগুলোকে স্বীকৃতি দিতে মুক্তিযুদ্ধের সময়ের স্লোগান ‘জয় বাংলা’র অনুসারে ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’-এর প্রবর্তন করা হয়।
জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী অনেক সংগঠন ইতোমধ্যে শিশু শান্তি পুরস্কার, ডায়না অ্যাওয়ার্ডসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কারও অর্জন করেছে।
]]>




