ঢাকা-টাঙ্গাইল চার লেন মহাসড়কের দ্বিতীয় ফেজের কাজ শুরু
<![CDATA[
ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কের এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত চার লেন প্রকল্পের দ্বিতীয় ফেজের কাজ দৃশ্যমান হচ্ছে। এখন মাটি ভরাটের কাজ চলছে। প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হলে যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনা থেকে রেহাই পাবে উত্তরাঞ্চলের ২২ জেলার মানুষ। এদিকে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের দাবি এলেঙ্গা থেকে গাজীপুরের ভোগরা পর্যন্ত চার লেন প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ায় যাত্রী ভোগান্তি ও সড়ক দুর্ঘটনা কমে গেছে। দ্বিতীয় ফেজের কাজ নির্দিষ্ট সময়ে শেষ হলে আর কোনো ভোগান্তি থাকবে না।
১৯৯৭ সালে বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণের পর থেকে উত্তর বঙ্গের ১৭টিসহ মোট ২৩ জেলার গাড়ি ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক দিয়ে চলাচল শুরু করে। এতে মহাসড়কে গাড়ির চাপ ব্যাপক বেড়ে যায়। গাড়ির তুলনায় মহাসড়কটি পর্যাপ্ত না হওয়ায় প্রতিদিনই যানজটসহ দুর্ঘটনার কবলে পরে প্রাণ দিতে হতো যাত্রী ও চালকদের। এরই ধারাবাহিকতায় সরকার সড়কটি চার লেনে উন্নীত করণের প্রকল্প হাতে নেয়। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে না পারলেও বর্তমানে মহাসড়কের পুরো কাজই শেষ হয়েছে। ফলে মহাসড়কের এলেঙ্গা থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত কোনো প্রকার ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে না। এ ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনাও কমে গেছে।
তবে এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্বপাড় পর্যন্ত সিঙ্গেল রাস্তার কারণে এই অংশে এখনও ভোগান্তি রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে না যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনগুলো। ফলে এসব ভোগান্তির অবসান করতে সরকার নতুন করে আবারও এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত ১৩.৬ কিলোমিটার রাস্তা প্রায় ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে চার লেনসহ আরও একটি সার্ভিস লেন করার উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যেই মাটি ভরাটের কাজ শুরু হয়েছে। ২০২৪ সালে জুন মাসে কাজটি শেষ করার কথা রয়েছে। প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হলে যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনা থেকে রেহাই পাবে উত্তরাঞ্চলের ২২ জেলার মানুষ।
আরও পড়ুন: থমকে আছে খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণকাজ
এদিকে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. জহুরুল হকের দাবি, ‘এলেঙ্গা থেকে গাজীপুরের ভোগরা পর্যন্ত চার লেন প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ায় যাত্রী ভোগান্তি ও সড়ক দুর্ঘটনা কমে গেছে। দ্বিতীয় ফেজের কাজ নির্দিষ্ট সময়ে শেষ হলে আর কোনো ভোগান্তি থাকবে না।‘
ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কের দ্বিতীয় ফেজে চার লেন প্রকল্পের ১৩.৬ কিলোমিটার সড়কে একটি ফ্লাইওভার, আটটি ব্রিজ, দশটি কালভার্ট ও দুইটি আন্ডারপাসসহ একটি সার্ভিস লেন নির্মাণ করা হবে।
]]>




