১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করছে মেটা
<![CDATA[
টুইটারের পর এবার ফেসবুকের মূল সংস্থা মেটাতেও শুরু হল কর্মী ছাঁটাই। মেটার সিইও মার্ক জাকারবার্গ নিজেই জানিয়েছেন, বুধবার (০৯ নভেম্বর) থেকে সংস্থাটিতে কর্মী ছাঁটাই শুরু হচ্ছে। বিগত এক বছরে সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থা যে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে, তার জেরেই খরচ কমাতে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপসহ মেটার অধীনে থাকা একাধিক সংস্থায় কর্মী ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, মেটা এক বিবৃতিতে বলেছে, বিশ্বব্যাপী তাদের কর্মী সংখ্যা অন্তত ১১ হাজার কমিয়ে আনা হবে। সেপ্টেম্বরের শেষে ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম প্যারেন্ট কোম্পানি জানায়, তাদের ৮৭ হাজারের বেশি কর্মচারী রয়েছে। কিন্তু এই ‘বড় আকারের’ ছাঁটাই কর্মীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ কমিয়ে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই ছাঁটাই টুইটারে ব্যাপক ছাঁটাইয়ের তুলনায় মেটাকে আরও বেশি প্রভাবিত করতে পারে।
বিবৃতিতে মেটার প্রধান নির্বাহী জাকারবার্গ বলেন, আমাদের কর্মী ছাঁটাই মেটার ইতিহাসে খুব কঠিন একটি সিদ্ধান্ত।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংস্থার কর্মীদের ইতোমধ্যে এই বিষয়ে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। আপাতত মানবসম্পদ ও ব্যবসা বিভাগে কর্মী ছাঁটাই করা হবে বলেও জানা গেছে। যদিও এই বিষয়ে মেটা সংস্থার মুখপাত্র কোনও জবাব দেননি।
আরও পড়ুন: টুইটারের পর এবার বড় ছাঁটাইয়ের পথে মেটা
গত মাসের শেষ দিকে জাকারবার্গ বলেছিলেন, ২০২৩ সালে তাঁর কোম্পানি কতিপয় উচ্চ প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিনিয়োগে প্রাধান্য দেবে। গত জুনে কোম্পানিটি প্রকৌশলী নিয়োগের পরিকল্পনা ৩০ শতাংশ কমিয়ে ফেলে। জাকারবার্গ তাঁর কর্মীদের অর্থনৈতিক মন্দা পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছিলেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফেসবুকের এক কর্মী জানিয়েছেন, সকাল থেকেই সংস্থার সমস্ত কর্মীদের কাছে ইমেইল আসতে শুরু করেছে। যাদের ছাঁটাই করা হচ্ছে, তাদের ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হচ্ছে। কর্মীদের আর্থিক সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে মেটা সংস্থার তরফে ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের চার মাসের বেতন দেয়া হবে।
আরও পড়ুন: মেটা ছাড়ছেন ফেসবুকের প্রথম বহিরাগত বিনিয়োগকারী
গত কয়েক মাসে মাইক্রোসফট, টুইটার, স্ন্যাপসহ বেশ কয়েকটি প্রযুক্তি কোম্পানি নিজেদের লোকবল ছাঁটাই করছে। তারা নতুন করে কর্মী নিয়োগও বন্ধ রেখেছে।
]]>




