প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথমবার মুখোমুখি হচ্ছেন বাইডেন ও শি
<![CDATA[
জো বাইডেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের। ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় জি-টোয়েন্টি সম্মেলনে আগামী সোমবার (১৪ নভেম্বর) তাদের বৈঠক হতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের এক উপদেষ্টা। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের স্বার্থের বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলবেন তারা। খবর সিএনএনের।
সবশেষ ২০১১ সালে মিলিত হয়েছিলেন জো বাইডেন ও শি জিনপিং। সে সময় দুজনেই ছিলেন দুই দেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট। এরপর সময় গড়িয়েছে অনেক। এখন দুজনই শক্তিধর দুই রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। তবে বাইডেন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর শি জিনপিংয়ের সঙ্গে মুখোমুখি সাক্ষাৎ হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন দুই দেশের প্রেসিডেন্টের সরাসরি সাক্ষাতের চেষ্টা করে যাচ্ছিল। অবশেষে ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় জি-২০ সম্মেলনে তাদের বৈঠক হতে যাচ্ছে।
আগামী ১৪ থেকে ১৬ নভেম্বর ইন্দোনেশিয়ায় হতে যাচ্ছে জি-২০ সম্মেলন। এতে যোগ দেবেন বাইডেন ও শি। আগামী সোমবার তাদের বৈঠক হতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান।
আরও পড়ুন: আবারও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইচ্ছা বাইডেনের
জ্যাক সুলিভান বলেন, প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও প্রেসিডেন্ট শি-র মধ্যে বৈঠকটি একে অপরের অগ্রাধিকার এবং উদ্দেশ্যগুলোকে বুঝতে সাহায্য করবে। দুই দেশের পার্থক্য বুঝতে এবং একসঙ্গে কাজ করতে পারার ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করার জন্য সুযোগ হবে এটি। কারণ, সাধারণ সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য একসঙ্গে কাজ করা জরুরি। বিশ্ব শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর কাছে এটাই প্রত্যাশা করে।
বৈঠকে বাইডেন তাইওয়ান প্রসঙ্গ তুলবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া ইউক্রেনে হামলা চালানোর জন্য রাশিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ নিয়েও কথা বলতে পারেন। আলোচনায় উঠে আসতে পারে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের বিষয়টিও। বাইডেন এক সপ্তাহের জন্য জলবায়ু সম্মেলন, আসিয়ান সম্মেলন এবং জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে মিশর ও এশিয়া সফর শুরু করেছেন।
আরও পড়ুন: সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ চীনা প্রেসিডেন্টের
এদিকে এবারের ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় জি-২০ সম্মেলনে পুতিন সশরীরে আসছেন না বলে জানা গেছে। তবে তিনি ভার্চুয়ালি হাজির থাকবেন। ইন্দোনেশিয়ার পক্ষ থেকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে পুতিন গেলে তিনি যাবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন আগেই।
]]>




