যুক্তরাষ্ট্রের টার্গেট এবার রাশিয়ার অস্ত্র ব্যবসায়ীরা
<![CDATA[
এবার রাশিয়ার অস্ত্র ব্যবসায়ীদের ওপর নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রাশিয়ার সমরাস্ত্র, যুদ্ধযান ও অন্যান্য সামরিক উপকরণ সরবরাহকারীদের অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। সোমবার (১৪ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন।
চলতি বছর ২৬ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রুশ বাহিনী সামরিক অভিযানের পর শাস্তিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে রাশিয়ার রিজার্ভ অর্থ জব্দসহ একের পর এক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তারই ধারাবাহিকতায় এবার রুশ অস্ত্র ব্যবসায়ীদের টার্গেট করা হলো।
ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন দ্বীপ বালিতে বিশ্বের শিল্পোন্নত ও বৃহৎ অর্থনীতির দেশগুলোর জোট জি-২০ সম্মেলন শুরু হয়েছে। সেই বৈঠকে মার্কিন সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে সেই বৈঠকে ছিলেন মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়েলেন।
এদিন এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, রাশিয়াকে অস্ত্র ও সামরিক উপকরণ সরবরাহ বা এসব কিনতে অর্থ সহায়তা প্রদান করে- এমন ১৪ জন ব্যক্তি এবং ২৮টি প্রতিষ্ঠানকে শনাক্ত করেছে মার্কিন সরকার। শিগগিরই তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে।
আরও পড়ুন: সামরিক দিক থেকে তুরস্ক কতটা শক্তিশালী
তিনি আরও বলেন, ‘ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধকে নস্যাৎ করতে ইতোমধ্যে আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। নতুন নিষেধাজ্ঞাও সেসব পদক্ষেপেরই অংশ। আমরা চাই, রাশিয়া যেন আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আর সমরাস্ত্র ও সামরিক উপকরণ কিনতে না পারে।’
কোন কোন কোম্পানি ও ব্যক্তিকে এই নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে অবশ্য বিস্তারিত কিছু বলেননি ইয়েলেন। তবে তিনি জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে অস্ত্র ও সামরিক উপকরণ উৎপাদনকারী বড় রুশ কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় রাশিয়ায় মার্কিন সামরিক উপকরণ ও প্রযুক্তির রফতানি নিষিদ্ধ করেছে।
আরও পড়ুন: আঙ্কারায় রুশ গোয়েন্দা প্রধান-সিআইএ প্রধানের বৈঠক
এসব নিষেধাজ্ঞার প্রভাব ইতোমধ্যে যুদ্ধক্ষেত্রে পড়া শুরু হয়েছে বলেও দাবি করেন ইয়েলেন। পাশাপশি যতদিন এই যুদ্ধ চলে, ততদিন ইউক্রেনকে অস্ত্র ও আর্থিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
]]>




