খেলা

দেশ এখন ভয়ংকর ঘাতকদের কবলে: মির্জা ফখরুল

<![CDATA[

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশ এখন ভয়ংকর ঘাতকদের কবলে। সরকার দেশ শাসনে নজীরবিহীন ব্যর্থতা ঢাকতেই এখন ঘাতকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। পতনের আগে সরকার মরণকামড় দিচ্ছে, তবে তাদের সকল অপকর্ম ও অপশাসনের মূলোৎপাটনে জনগণ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। মানুষ হত্যার মতো নির্দয় কর্মকাণ্ড বন্ধসহ জনদাবি মেনে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করলে জনগণের কাছে হিসাব দিতেই হবে তাদের।

শনিবার (১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সোনারামপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি মো. নয়ন মিয়াকে গুলিবিদ্ধ করে হত্যার প্রতিবাদে গণমাধ্যমে পাঠানো এ শোক বিবৃতিতে এ কথা বলেন তিনি।

শোক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল মো. নয়ন মিয়াকে গুলিবিদ্ধ করে হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং শোক প্রকাশ করেন। এ সময় পুলিশের গুলিতে নিহত নয়নের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবার-পরিজনদের গভীর সমবেদনা জানান।

আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে গুলিতে ছাত্রদল নেতা নিহ

বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, বর্তমান সরকার নিষ্ঠুর ও গণবিরোধী সরকার। ফ্যাসিবাদী কায়দায় বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসহ বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর নিষ্ঠুর দমণ-নিপীড়ন জারি করে রেখেছে। নিজেদের একদলীয় দুঃশাসন চিরস্থায়ী করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিজেদের কবজায় নিয়ে বিরোধী নেতাকর্মীদের ওপর গুলি চালিয়ে নির্মমভাবে হত্যা শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনকালে বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিবর্ষণ ও হত্যার ধারাবাহিকতায় আজ নয়ন মিয়াকে গুলিবিদ্ধ করে হত্যা করা হলো। এভাবে গুলি চালিয়ে পৈশাচিক কায়দায় মানুষ হত্যার মরণখেলায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কর্তৃত্ববাদী নব্য বাকশালী সরকার।

দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিএনপি নেতাকর্মীদেরকে হত্যায় উৎসাহী হয়ে উঠেছে। পতনের আগে সরকার মরণকামড় দিচ্ছে। এখন আওয়ামী অবৈধ সরকার জনপদের পর জনপদকে বধ্যভূমি বানিয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ এসব হত্যার বিচার করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, বলেন বিএনপি মহাসচিব।

বিএনপি নেতাদের দাবি, আগামী ২৬ নভেম্বর কুমিল্লায় বিএনপির মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে শনিবার বিকেলে বাঞ্ছারামপুর সদর উপজেলা বিএনপি নেতা ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি ড. মো. সাইদুজ্জামান কামাল হোসেনের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা উপজেলা সদরের বিভিন্ন জায়গায় মিছিলযোগে লিফলেট বিতরণ করছিলেন। এ সময় বাঞ্ছারামপুর থানার পুলিশ সেখানে গেলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশের ছোড়া শটগানের গুলিতে সোনারামপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম নয়নের পেটে ও বুকে গুলি লাগে। ঢাকায় আনার পথে তিনি মারা যান। একই ঘটনায় পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ইমান আলীসহ ৫-৭ জন গুরুতর আহত হন। উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে তাদের। 
 

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!