চীনে কোভিড নীতিবিরোধী বিক্ষোভ অব্যাহত
<![CDATA[
চীনের জিরো কোভিড নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। শনিবার (০৩ ডিসেম্বর) দেশটির উহানে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানায় শত শত মানুষ। আন্দোলনকারীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বিক্ষোভ হয়েছে বার্লিন ও সিডনিতেও। চলমান বিক্ষোভের মুখে করোনা বিধিনিষেধ আরও শিথিলের ঘোষণা দিয়েছে চীন সরকার। খবর সিএনএনের।
চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ শিংজিয়াংয়ে বহুতল ভবনে আগুনের ঘটনায় নিহতদের স্মরণে শনিবার সাংহাই শহরে জড়ো হয় কয়েকশ’ মানুষ। এ সময় তারা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে গেলে বাধা দেয় পুলিশ। ব্যাপক লাঠিচার্জের পাশাপাশি শুরু হয় ধরপাকড়। আটক করা হয় বেশ কয়েকজনকে।
একইদিন চীন সরকারের জিরো কোভিড নীতির বিরুদ্ধে উহানে জড়ো হন শত শত মানুষ। এ সময় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা। করোনা বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেয়ার পাশাপাশি সরকারের সমালোচনা করেন বিক্ষোভকারীরা।
নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক কড়াকড়ি আর ধরপাকড়ের কারণে চীনে বিচ্ছিন্নভাবে বিক্ষোভ হলেও তাদের সমর্থনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে চীনা বিক্ষোভকারীদের সমর্থনে জড়ো হন কয়েকশ মানুষ। ব্যানার ফেস্টুন হাতে চীন সরকারের দমন-পীড়নের তীব্র সমালোচনা করেন তারা।
আরও পড়ুন: চীনে জিরো কোভিড নীতি প্রত্যাহারে বহু মৃত্যুর শঙ্কা
এ ছাড়া জার্মানির রাজধানী বার্লিনে চীনা দূতাবাসের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করে শত শত চীনা অভিবাসী। এ সময় প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের পদত্যাগের দাবি জানান তারা।
এক বিক্ষোভকারী বলেন, এই আন্দোলন হঠাৎ কোনো ঘটনা নয়। চীনের কর্তৃত্ববাদী শাসকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ থেকেই আজকের এ আন্দোলন।
আরও পড়ুন: চীনে বিক্ষোভের পর করোনা বিধিনিষেধ শিথিল
হঠাৎ করে ছড়িয়ে পড়া করোনা বিধিনিষেধবিরোধী বিক্ষোভ রূপ নিয়েছে সরকারবিরোধী আন্দোলনকে। এতে বেশ বেকায়দায় পড়েছে শি জিনপিং প্রশাসন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এরই মধ্যে নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসতে শুরু করেছে চীন সরকার। সাংহাইয়ের পর আরও বেশ কয়েকটি শহরে শিথিল করা হয়েছে করোনা বিধিনিষেধ। রাজধানী বেইজিংয়ের বিভিন্ন জায়গা থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে কোভিড পরীক্ষা কেন্দ্র।
]]>




