ঘুমের ঘোরে হোটেলে কাভার্ডভ্যান, চালক-হেলপার গ্রেফতার
<![CDATA[
যশোরের মণিরামপুর উপজেলার বেগারিতলায় কাভার্ডভ্যানের চাপায় পাঁচজন নিহতের ঘটনায় চালক আলমগীর ও হেলপার আনোয়ারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার জয়না বাজারের তরমুজপাড় এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
২০ বছর বয়সী চালক আলমগীর ঘুমের ঘোরে গাড়ি চালানোর কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে আটককৃতরা জানিয়েছেন।
গ্রেফতার হওয়া চালক আলমগীর হোসেন নেত্রকোণা জেলার আটপাড়া থানার মোবারকপুর গ্রামের শামছুল হকের ছেলে এবং হেলপার আনোয়ার হোসেন ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট থানার সন্ধ্যাকুরা গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে।
মনিরামপুর থানার ওসি শেখ মনিরুজ্জামান জানান, কাভার্ডভ্যান চাপায় নিহতের ঘটনায় মামলার পর থেকে পুলিশ ঢাকা, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণাসহ কয়েকটি স্থানে অভিযান চালায়। অভিয়ানের এক পর্যায়ে তারা আটক হন। তাদের আটক করে মঙ্গলবার বিকেলে মণিরামপুর থানায় আনা হয়।
আরও পড়ুন: যশোরে কাভার্ডভ্যান হোটেলে উঠে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ নিহত ৫
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর চালক আলমগীর হোসেনের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থেকে কাভার্ডভ্যানে বিস্কুট নিয়ে তারা সাতক্ষীরার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। কাভার্ডভ্যান রাজারহাট-চুকনগর সড়কে প্রবেশ করলে চালক আলমগীর হোসেনের চোখে ঘুম চলে আসে। চালকের পাশেই হেলপার আনোয়ার হোসেন তখন ঘুমিয়েই ছিলেন। ঘুমের মধ্যে কাভার্ড ভ্যানের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন চালক। এক পর্যায়ে নিয়ন্ত্রনহীন কাভার্ডভ্যান রাজারহাট-চুকনগর মহাসড়কের যশোরের মণিরামপুরের ব্যাগারিতলা বাজারে খাবার হোটেলে ঢুকে পড়ে।
এ সময় দোকানে থাকা পাঁচজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। নিহতরা হলেন: হাবিবুর রহমান ও তার সাত বছরের ছেলে তৌশিক, পার্শ্ববর্তী টুনিয়াঘরা গ্রামের শামসুর রহমান ও তার নাতি তৌহিদুল হোসেন এবং জয়পুর গ্রামের জিয়াউর রহমান।
]]>




