আসছে বড়দিন-নববর্ষ, আলোকোজ্জ্বল লিসবন
<![CDATA[
বড়দিন ও নববর্ষ সামনে রেখে বর্ণিল আলোকসজ্জায় সেজেছে পর্তুগালের রাজধানী লিসবন। বৈরী আবহাওয়ায়ও ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। তবে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এবারের আলোকসজ্জা করা হয়েছে অনেকটা সীমিত পরিসরে। বিষয়টিকে ইতিবাচক বলছেন নাগরিকরা।
প্রতিবছর নভেম্বরে পর্তুগালের রাজধানী লিসবনের প্রধান সড়ক এবং স্থাপনাগুলোয় আলোকসজ্জা শুরু হলেও এ বছর খানিকটা দেরিতেই সেজেছে শহরটি।
অন্যান্য বছরের মতো এবারও সবচেয়ে বড় কৃত্রিম ক্রিসমাস গাছটি তৈরি করা হয়েছে লিসবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন স্পট প্রাসা কমার্সিওতে। যেটি দেখতে বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিনই আসছেন পর্যটকরা।
দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জা করা হয়েছে লিসবনের সিটি সেন্টার হিসেবে পরিচিত রোসিওতে। বড়দিন সামনে রেখে সেখানে বসেছে মেলা। বাহারি পণ্যের পাশাপাশি স্টলগুলোতে মুখরোচক খাবারের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা।
আরও পড়ুন: আড়াই বছর পর করোনা বিধিনিষেধমুক্ত পর্তুগাল
সেসব দোকানে ভিড় করছেন ক্রেতারা। তবে সব স্থানেই ৫০ ভাগ কমিয়ে আনা হয়েছে বিদ্যুতের ব্যবহার। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন পর্তুগিজরা।
আলোকসজ্জা করা হয়েছে নগরের ঐতিহ্যবাহী শিয়াদো, মার্কেশ পম্বাল, এভিনিদা লিভারদাদেসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায়। তবে চলমান জ্বালানি সংকটে কমিয়ে আনা হয়েছে পরিধি। আগে সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত বা তার বেশি সময় পর্যন্ত আলোকসজ্জা চললেও এবার রাত ১০টা বাজলেই বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে আলো।
]]>




