খেলা

শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আরব নেতাদের বৈঠকে ক্ষুব্ধ ইরান

<![CDATA[

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে আরব নেতাদের সঙ্গে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের গত সপ্তাহের বৈঠকের পর ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি তার দেশের জন্য ‘সত্যিকার অর্থেই ক্ষতিপূরণ’ দাবি করেছেন।

এ বিষয়ে তেহরান সফররত চীনের উপপ্রধানমন্ত্রী হু চুনহুয়ার সঙ্গে এক বৈঠকে রাইসি বলেন, আরবের নেতাদের সঙ্গে সম্মেলনে উত্থাপিত কিছু বিষয় ‘ইরানের অসন্তোষের কারণ’।

ইরানের প্রেসিডেন্ট কার্যালয় এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানায়নি যে, আসলে ক্ষতিপূরণ বলতে কী চাচ্ছে ইরান। অথবা আরব দেশগুলোর সঙ্গে বৈঠকের পর চীন ও গাল্ফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) ঘোষণাকে বোঝাচ্ছে কিনা, সেটি স্পষ্ট নয়। সাম্প্রতিক ওই বৈঠক ও বিবৃতিতে ইরান যে খুশি নয়, সেটি স্পষ্ট।

জিসিসির যৌথ বিবৃতি নিয়ে ইরানের ‘ব্যাপক অসন্তুষ্টি’র বিষয়টি পরিষ্কার বোঝা গেছে তেহরানে চীনা কূটনীতিক চ্যাং হুয়ার সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এশিয়া-প্যাসিফিক বিষয়ক ডেপুটির সঙ্গে বৈঠকে।

জিজিসি সম্মেলনে শি জিনপিং ও আরব নেতারা সম্মত হন ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ এবং দেশটির সঙ্গে হরমুজ প্রণালীতে কৌশলগত দ্বীপ নিয়ে সমাঝোতার মাধ্যমে আঞ্চলিক বিতর্ক সমাধান করা উচিত আরব আমিরাতের।

ব্রিটেনের হাত থেকে শেখ শাসিত উপসাগরীয় রাজ্যগুলো একসঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাত গড়ে তোলার আগে ১৯৭১ সালে ইরান আবু মুসা এবং ‘গ্রেটার অ্যান্ড লেসার টানবস’ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল। ইরান দাবি করে থাকে সেখানকার তিনটি দ্বীপপুঞ্জের ওপর তাদের সার্বভৌম অধিকার রয়েছে। কোনোভাবেই সেখানে কারও সঙ্গে সমঝোতার প্রশ্ন নেই।

কিন্তু অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত বলছে, এসব দ্বীপপুঞ্জের ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।

ইরানের পরারষ্ট্রমন্ত্রীর মুখপাত্র নাসের কানানি বলেন, চীনের উপপ্রধানমন্ত্রী চ্যাংকে বলা হয়েছে- এই দ্বীপগুলোর ওপর কোনো দাবিকে ইরান অস্থিতিশীলতার কারণ হিসাবে মনে করে। এসব দ্বীপের কোনো দাবি করলে তা ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এ অঞ্চলে হস্তক্ষেপ হিসাবে বিবেচনা করবে তেহরান। 

]]>

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!