বাংলাদেশিদের পদচারণায় চাঙা কলকাতা নিউমার্কেটের ব্যবসা
<![CDATA[
আবারও চাঙা হয়ে উঠছে মধ্য কলকাতার বাংলাদেশি পর্যটকনির্ভর হোটেল পাড়াসহ পুরো নিউমার্কেট এলাকা। স্থানীয় খাবারের দোকান, আবাসিক হোটেল থেকে শুরু করে বিপণিবিতান; সব জায়গায়তেই চোখে পড়ছে বাংলাদেশি পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড়।
ব্যবসা রমরমা হয়ে ওঠায় খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরাও। তবে আগত বাংলাদেশি পর্যটদের অনেকের অভিযোগ, দুই সীমান্তে রয়েছে চরম অব্যবস্থাপনা।
সরকারি হিসাব বলছে, প্রতি বছরের নভেম্বর থেকে জানুয়ারি- এই তিন মাস সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বাংলাদেশি পর্যটক আসেন ভারতে; বিশেষ করে কলকাতায়। কেউ শুধুই বেড়াতে, কেউ চিকিৎসার কাজে, কেউ আবার বেড়ানো শেষে কেনাকাটাও করতে আসেন ‘সিটি অব জয়’-তে।
মধ্য কলকাতার বৃহত্তম নিউমার্কেট এলাকায় কম বেশি প্রায় দেড় হাজারের মতো আবাসিক হোটেল রয়েছে। হোটেলগুলোতে সব মিলিয়ে ধারণ ক্ষমতা দেড় থেকে দুই লাখ অতিথির। যাদের সিংহভাগই বাংলাদেশি পর্যটক।
আরও পড়ুন: কলকাতায় এক বাংলাদেশির রহস্যজনক মৃত্যু
অন্য সময়ে আবাসিক হোটেলগুলোতে থাকার জায়গা সহজে পাওয়া গেলেও, ডিসেম্বর মাসে রুম পাওয়াটা বেশ কষ্টেরই। তবুও দল বেঁধে রোজই আসছেন বাংলাদেশি পর্যটকরা।
এছাড়া পদ্মা সেতু হওয়ায় আগের তুলানায় বেড়েছে সড়ক পথের যাত্রী সংখ্যা। তাই সীমান্তেও বেড়েছে দীর্ঘ লাইনের বিড়ম্বনা। অনেকেরই তাই সীমান্তের অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা চলছে বলে জানিয়েছেন কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস।
শুধুমাত্র পেট্রাপোল-বেনাপোল স্থল সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন দুই দেশের মধ্যে গড়ে ৭ থেকে ১২ হাজার পর্যটক যাতায়াত করেন। এর মধ্যে ৮০ শতাংশই বাংলাদেশি।
]]>




